× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা আর নেই

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর থেকে | ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ৯:০৫

যশোর-৬ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি.......রাজিউন)। গতকাল বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে এবং এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ইসমাত আরা সাদেক ১৯৪২ সালের ১২ই ডিসেম্বর বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে বগুড়া ভি এম গার্লস স্কুল থেকে এসএসসি ও ১৯৫৮ সালে ঢাকার হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ও তার স্বামী সাবেক সচিব এ এস এইচ কে সাদেক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ এস এইচ কে সাদেক নৌকা প্রতীক নিয়ে যশোর-৬ কেশবপুর আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে সুনামের সাথে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ওই ১৯৯৬ সালেই ইসমাত আরা সাদেক কেশবপুর মহিলা আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেন ও তখন থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির ১ নম্বর সদস্য হিসেবে তিনি আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ মহিলা কল্যাণ পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১২ই জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে নতুন সরকার গঠিত হলে তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৫ই জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি জেলা কমিটির সিনিয়র সদস্য নির্বাচিত হন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার নির্বাচনী এলাকাসহ যশোর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে। মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে যান তার রাজনৈতিক সহকর্মীরা।
এদিকে আজ সকাল ১০টায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় নেয়া হবে মরহুমার মরদেহ। সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধা জানানোর পর লাশ নেয়া হবে যশোর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। সেখানে দলীয় নেতৃবৃন্দ মরহুমার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন। পরে লাশ ঢাকায় নিয়ে তাদের পারিবারিক কবর স্থান বগুড়া অথবা বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর