× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার
কলেজছাত্রীকে ৭ টুকরা

একজনের ফাঁসি, অপরজনের যাবজ্জীবন

অনলাইন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৩:০০

বরগুনার আমতলীতে ফারিয়া ইসলাম মালা নামে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে গলা কেটে হত্যার পর সাত টুকরা করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু আদালত। একই মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন ও একজনের সাত বছরের কারাদ-াদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া একজনকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। আজ রোববার বরগুনার নারী ও শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

ফাঁসির দ-াদেশপ্রাপ্ত আসামি হলেন, নিহত কলেজছাত্রী মালার মামাতো ভগ্নিপতি পটুয়াখালী জেলার সুবিদখালী উপজেলর ভয়াং এলকার লতিফ খানের ছেলে আলমগীর হোসেন পলাশ। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত আসামি হলেন পলাশের ভাগ্নি জামাই বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা আইনজীবী মইনুল হোসেন বিপ্লব। সাত বছর কারাদ-প্রাপ্ত আসামি হলেন রিয়াজ। এছাড়া আইনজীবী পলাশের স্ত্রী ইমা রহমানকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৪শে অক্টোবর বরগুনার আমতলী উপজেলা হাসপাতাল সংলগ্ন আইনজীবী বিপ্লবের বাসায় মালাকে গলা কেটে হত্যা করে আসামিরা।
পরে আসামিরা মৃতদেহটিকে সাত টুকরা করার পর পানিতে ধুয়ে রক্ত দূর করে দুইটি ড্রামে ভরে রাখে।

খবর পেয়ে পুলিশ আইনজীবী বিপ্লবের বাসায় অভিযান চালিয়ে নিহত মালার ড্রাম ভর্তি সাত টুকরা লাশ উদ্ধার করে। ওইদিনই  পলাশকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার দিন রাতে বিপ্লব  এবং পলাশের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর