× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার

বিশ্বব্যাপী মসজিদ নির্মাণ ও পরিচালনায় অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা সৌদি আরবের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৬:০৭

নিজ দেশের বাইরে মসজিদ নির্মাণ ও পরিচালনায় অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির সাবেক বিচারমন্ত্রী ও মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের মহাসচীব মোহাম্মদ বিন আব্দুল-করিম ইসা এ ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার তিনি জানান, তার দেশ আর বিদেশের মাটিতে মসজিদের জন্য অর্থ ব্যয় করবে না। এ খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সৌদি আরব অসংখ্য মসজিদ পরিচালনা করছে। সুইস পত্রিকা লা ম্যাটিন ডিমানচে জানিয়েছে, এখন থেকে সৌদি পরিচালিত মসজিদগুলোকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকেই চালাতে হবে। সৌদি আরব এর দায় তাদেরকে বুঝিয়ে দেবে। সৌদি মন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভা মসজিদের ব্যাপারেও কথা বলেন।
জানান এই মসজিদকে সুইস কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে। সেখানে একজন ইমামও নির্বাচন করবে সুইস কর্তৃপক্ষ। এরপরই তিনি জানান, শুধু এই মসজিদ নয়, বিশ্বব্যাপী সৌদি পরিচালিত সকল মসজিদেই অর্থায়ন বন্ধ করবে তার দেশ।

নাৎসি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে মুসলিম নেতাদের ঐতিহাসিক সফর
ইহুদি নেতাদের সঙ্গে ঐতিহাসিক এক সফরে নাৎসি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প সফর করেছেন আন্তর্জাতিক মুসলিম নেতাদের একটি দল। বৃহ¯পতিবার মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের মহাসচিব মোহাম্মদ বিন আবদুল কারিম আল-ইসা ও অ্যামেরিকান জিউইশ কমিটির প্রধান নির্বাহী ডেভিড হ্যারিসের নেতৃত্বে বিশ্বের মুসলিম ও ইহুদি নেতাদের একটি দল পোল্যান্ডের নাৎসি কনসেনট্রেশন ক্যাম্প সফর করেছেন। পোল্যান্ডের ওই কনসেনট্রেশন ক্যা¤েপর নাম আউশভিৎস। ১৯৪৫ সালের ২৭ জানুয়ারি কমিউনিস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নের রেড আর্মি ক্যাম্পটি হিটলারের বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করেছিলো। এর ৭৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে এই সফরের আয়োজন করা হয়।

সৌদি আরবের মক্কার ধর্মীয় নেতা আল-ইসা মুসলমানদের নেতৃত্ব দেন। তিনি সঙ্গে ২৮টি দেশ থেকে আরো ৬১ জন মুসলিম প্রতিনিধি নিয়ে আসেন। এদের ২৫ জন মুসলিম বিশ্বে বেশ সুপরিচিত নেতা। তাঁদের এই সফরকে ‘ঐতিহাসিক' বলে উল্লেখ করেছে অ্যামেরিকান জিউইশ কমিটি বা এজেসি। ইউরোপীয় ইহুদিদের নিধন চালানো এই ক্যাম্পটিতে মুসলিম ও ইহুদিরা একসঙ্গে প্রার্থনা করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Shamsul Hoque
২৭ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, ৭:৪৫

Very shameful for KSA.

মূর্শিদূল আলম
২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ১১:০০

Man proposes God disposes

নূর মোহাম্মদ নূরু
২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৮:২৮

Because উনাদের ধর্ম কর্মে আর তেমন আগ্রহ নেই। এখন নাচ গান সিনেমা উন্নয়নে অর্থায়ন করবে। অতএব সিনেমা হল আরো বৃদ্ধি করতে হবে। প্রত্যেক মহল্লায় মহল্লায় সিনেমা হল তৈরি করতে হবে। তাতে সরকারের আয় বাড়বে। দেশের উন্নতি হবে,তখন আর তেল ফেরী করতে হবে না। হোলিউড বলিউড ধরনের একটা সৌলিউড বানিয়ে সিনেমা উৎপাদন করে আরবিস্তান সহ সারা দুনিয়া ব্যাপি তা সাপ্লাই দিবে। দারুন একটা কাজ হবে তখন।

Md. Harun al Rashid
২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৬:৪১

Because the budget will be utilised for constructing cinema halls in KSA to satisfy the desire of the prince in saddle.

অন্যান্য খবর