× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার

পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতাকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৭ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, ৭:৩২

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সামরিক সেনাবাহিনীর কট্টর সমালোচক ও অধিকারকর্মী মানজুর আহমেদ পাশতিনকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বহুদিন ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সেনাবাহিনীর জবাবদিহিতা চেয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন। প্রভাবশালী বাহিনীটির বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভ’ত হত্যা ও অপহরণের অভিযোগ এনেছেন। এসব কর্মকা-ের জন্য তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছেন। মানজুরের সহকর্মীরা তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করেছে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক খবরে বলা হয়, সোমবার সকালের দিকে পেশওয়ার থেকে আলাদা পাঁচটি অভিযোগে মানজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহও রয়েছে। সম্প্রতি তিনি এক ভাষণে বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা সংবিধান ও রাষ্ট্রের বির”দ্ধে কাজ করছে। এরপরই তার বির”দ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয় বলে জানান তার সহকর্মীরা।

পাশতিনের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনটি পাশতুন তাহাফুজ মুভমেন্ট (পিটিএম) নামে পরিচিত।
দেশটির সেনাবাহিনীর বির”দ্ধে সাম্প্রতিক বছরে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড় করেছে এই আন্দোলন। তারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, সাংবাদিক ও অন্যান্য সমালোচকদের ওপর দমন অভিযান চালানোর অভিযোগ এনেছে।

পাকিস্তানের পাশতুন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অনাচারের বিচার চাওয়া দিয়েই পিটিএম এর যাত্রা শুরু। তবে তাদের প্রভাব অচিরেই এই নির্দিষ্ট গ-ি ছাড়িয়ে দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়ে। তাদের আন্দোলনে যোগ দেয় হাজারো মানুষ। আন্দোলনটির নেতৃত্বের সাহসিকতা, নিরাপত্তা বাহিনীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার দৃষ্টান্ত অনেক অধিকারকর্মীকে এতে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছে। পিটিএম নেতারা জানিয়েছে, মানজুর গ্রেপ্তার হলেও তারা আন্দোলন জারি রাখবে। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোয় আজীবন কারাদ- ভোগ করতে পারেন মানজুর। সোমবার পেশওয়ারের এক আদালত মানজুরকে ১৪ দিনের বিচার পূর্ববর্তী আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

পিটিএম যাত্রা শুরুর পর এই প্রথম গ্রেপ্তার হলেন মানজুর। এর আগে তার সহযোগী ও অনুসারীদের অনেকেই গ্রেপ্তার, নির্যাতন, ভীতি প্রদর্শনের শিকার হয়েছেন। তার গ্রেপ্তার নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি পাকিস্তানি কর্মকর্তারা। তবে নাম না প্রকাশের শর্তে এক স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মানজুরকে চলতি মাসে দেরা ইসমাইল খান শহরে ‘রাষ্ট্র-বিরোধী মন্তব্য’ করার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে, পুলিশের প্রতিবেদনে মানজুরের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সংবিধানকে আক্রমণ করে বক্তব্য দেয়ার এবং রাষ্ট্রের ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া, তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগও আনা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর