× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ১০ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার

আমজনতার মাঝে শপথ নিলেন কেজরিওয়াল

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৫:৪৯

 শপথগ্রহন অনুষ্ঠানে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়া কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা বা অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের তিনি আমন্ত্রণ জানান নি। পরিবর্তে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন দিল্লির আপামর জণগনকে। রবিবার সকালেই এক টুইট বার্তায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবার আগে দিল্লির মানুষকে তাদের সন্তানকে আশীর্বাদ জানাতে ঐতিহাসিক লাল কেল্লার বাইরে রামলীলা ময়দানে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আর শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠিয়েছিলেন কয়েকশ শিক্ষক-শিক্ষিকা, ডাক্তার, গবেষক, ছাত্র থেকে শুরু করে এম্বুলেন্স চালক, সাফাইকর্মীদের। কেজরিওয়ালের ভাষায়, রাজনীতিকরা আসবেন, যাবেন, কিন্তু দিল্লির উন্নয়নের কাজ করার জন্য এরা থাকবেন। এরাই দিল্লির নির্মাতা। তাঁর মতে, দিল্লির মানুষ দেশের রাজনীতির সংজ্ঞা পাল্টে দিয়েছেন। এদিন ৬ মন্ত্রী সহ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবার পর অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, কে, কাকে ভোট দিয়েছেন জানার প্রয়োজন নেই, বিজেপি, কংগ্রেস নির্বিশেষে সকলের মুখ্যমন্ত্রী তিনি।
তিনি বলেছেন, গত পাঁচ বছর শুধু কাজ করে গিয়েছি। কাজের ক্ষেত্রে কোনও ভেদাভেদ করিনি। কেউ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে তাঁর কাজ করব না বলিনি। সবার জন্য কাজ করেছি। ২ কোটি দিল্লিবাসীর কাছে আবেদন জানিয়ে কেজরিওয়াল বলেছেন,  নির্বাচন শেষ। যাকেই ভোট দিয়ে থাকুন না কেন, আজ থেকে আপনারা সকলে আমার পরিবার। যে কোনও রকম প্রয়োজনই হোক না কেন, নির্দ্বিধায় আমার কাছে চলে আসবেন। কে কোন পার্টির, কে কোন ধর্মের, কে কোন জাতের দেখব না আমি। নির্বাচনী প্রচারে তাকে নিয়ে বিজেপি নেতারা যেসব মন্তব্য করেছেন সে সব তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। বলেছেন, ওঁদের কাছে অনুরোধ, রাজনীতিতে যা হয়েছে সব ভুলে যান। সকলের সঙ্গে মিলে দিল্লির উন্নতি করতে চাই আমি। এই প্রসঙ্গেই তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার কথা বলেছেন। দিল্লিকে এক নম্বর শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চেয়েছেন কেন্দ্রীয সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আশীর্বাদও। বিনামূল্যে মানুষের কাছে নানা পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছেন বলেই কেজরীওয়াল ভোটে জিতেছেন বলে গত কয়েক দিন ধরেই সরব হয়েছে বিরোধীরা। এ দিন তাদেরও একহাত নিয়ে কেজরীওয়াল বলেছেন, পৃথিবীতে যা কিছু অমূল্য, তা বিনামূল্যেই দিয়েছেন ভগবান। সরকারি স্কুলে পড়ুয়াদের কাছ থেকে টাকা নেব কেন? হাসপাতালে কেন বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন না মানুষ? কেজরীওয়াল দিল্লিকে ভালবাসেন, দিল্লিবাসীও কেজরীওয়ালকে ভালবাসেন, এই ভালবাসার কোনও মূল্য হয় না। এদিন কেজরিওয়াল ছাড়াও শপথ নিয়েছেন মনীশ সিসোদিয়া, সুরেন্দ্র জৈন, গোপাল রাই, কৈলাশ গেহলট, ইমরাণ হোসেন এবং রাজেন্দ্র গৌতম। এরা প্রত্যেকেই আগের মন্ত্রিসভাতেও ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
KamalUddinAhmedChowd
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৭:৪৯

Regard, respect and love. The leader of community developmen. Best wishe.

জাহিদ
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৬:২২

বাংলাদেশে একজন কেজরিওয়াল এর মত মেয়র দরকার ।

অন্যান্য খবর