× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৩০ মার্চ ২০২০, সোমবার

করোনা নিয়ে জয়ের স্ট্যাটাস

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ৮:৩২

বিশ্বব্যাপি করোনা ভাইরাস আতঙ্ক। আতঙ্কে রয়েছে এ দেশের মানুষও। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ঘটছেও মৃত্যুও। ইতিমধ্যে লকডাউন করা হয়েছে একটি উপজেলা। আকাশপথে যোগাযোগও সীমিত করা হয়েছে। এই অবস্থায় আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
ফেসবুকের ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন- ‘আপনারা জানেন নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর প্রায় ১৮০টি দেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পয়েছে।
যেহেতু এ ভাইরাসের কোনো ওষুধ বা প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি, তাই ভাইরাসটিকে ছড়িয়ে পড়া থেকে রোধ করাই এখন সবচেযয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকার দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
চারটি বাদে বাংলাদেশে আসা সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিদেশ ফেরতদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাদের বাসায় থাকতে বলা হয়েছে, তাদের ব্যাপারে সজাগ আছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জনস্বার্থে আমরা মুজিববর্ষের কার্যক্রম সীমিত করেছি। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। সব সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নিতেও আমরা প্রস্তুত।
চিকিৎসাসেবা কর্মীদের সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে আমরা তৎপর আছি। ভাইরাসটি পরীক্ষা করার সক্ষমতাও আমরা বাড়াচ্ছি। আইইডিসিআর ব্যতীত আরও তিনটি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসার সুবিধা আছে। অন্যান্য সরকারি হাসপাতালেও এই ভাইরাসের উপসর্গসহ রোগীদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যার যার জায়গা থেকেও আমাদের অনেক কিছু করার আছে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। অসুস্থ বোধ করলে বাসায় থাকতে হবে। নিয়মিত সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে অথবা স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। নাকে, মুখে ও চোখে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। হাঁচি, কাশি দেয়ার সময় মুখ ঢেকে নিতে হবে। হাত মেলানো ও আলিঙ্গন থেকে বিরত থাকতে হবে। সম্ভব হলে গণপরিবহনে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে ভূমিকা রাখার সবচেয়ে কার্যকর দুটি উপায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিকভাবে দূরত্ব বজায় রেখে চলা।
বাঙালি জাতি সহনশীল ও সাহসী। অনেক বড় দুর্যোগও সফলভাবে মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। সব নির্দেশনা মেনে চললে, এ সংকটও আমরা সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারবো। এই মুহূর্তে গুজব থেকেও আমাদের সাবধান থাকতে হবে। সব তথ্য আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিদিনই সরকারের পক্ষ থেকে ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হচ্ছে।
আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সরকার আপনাদের পাশেই আছে। আতঙ্কিত হবেন না, সতর্ক থাকুন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জয় আমাদের হবেই।
জয় বাংলা।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nil
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১১:৪৪

২০১৯ সালের কথা ২০২০ সালের ২২ শে মারচ মনে পরল তোমা। বেশ।

রকিবুল আনোয়ার
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১১:০৪

স্পস্ট কথা: শুধুমাত্র সম্মিলিত মানবতা বহিপ্রকাশের মাধ্যমেই এ পাপ থেকে মানবজাতির মুক্তি সম্ভব: সবিনয়ে অনুরোধ দয়া করে মেনে চলুন ***বাসায় থাকুন, কোথাও বাইরে যাবেন না, একমাত্র জীবন-মরণ অবস্থা ছাড়া ১। আমার মতে এ ভাইরাস আল্লাহ/প্রকৃতি দ্বারা সৃস্ট; প্রভূত ক্ষমতাশালী, উৎকর্ষতায় অনন্য, বুদ্ধিতে অতুলনীয় ২। মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখা যায় না, শুধুমাত্র ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখা যেতে পারে, ৩। সেই জিনিস কিভাবে ৮০ বারের উপরে নিজের গঠন (Mutate) পরিবর্তন করতে পারে, ৪। কি ভাবে শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করে শ্বাসতন্ত্রকে নিজের উৎপাদনের কারখানায় পরিণত করতে সক্ষম হয় ৫। ৫ থেকে ৭ দিন কোনরকম উপসর্গ না দেখিয়ে বহুগুন বৃদ্ধি নিশ্চিত করে ৬। তারপরেও ১ সপ্তাহেরও বেশী কি ভাবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে মারাত্মক কোন উপসর্গের বহিপ্রকাশ না ঘটিয়ে একটু কাশি একটু গা ম্যাজ ম্যাজ উপসর্গের মধ্য দিয়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়। ৭। তারপরেও নিজের বহিপ্রকাশের সময়ে কি ভাবে হঠাৎ এত ভয়ংকর উপসর্গের সৃস্টি করে এবং মৃত্যুর দুয়ার উন্মুক্ত করে ৮। কিভাবেই বা আমাদের নিজেদের ইমিউন তন্ত্রকে আমাদের সমূহ ক্ষতি করায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে। ৯। এর আচার ব্যবহার মানুষের চেয়েও অনেক উন্নত, অনেক উৎকৃষ্ট, অনেক দ্বীপ্তিমান ১০। আরেকটা অদ্ভূত পর্যবেক্ষণ যে বাচ্চা বয়সের মানুষের ভাইরাসে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম এবং সবচেয়ে মারাত্মক উপসর্গ হবার সম্ভাবনা ০.২% এরও কম।সরলতা, পাপশূন্যতা কি এর কারণ?

বিনা ভোটে সরকার
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ৯:০০

ছোট বাবু তোমার কল্পকাহিনী শুনলাম এবার একটু আমাদেরটা শোনো ক্যানাডা থেকে এসে একটি ছাত্রী মারা গেছে শুধু ডাক্তারদের ভয় এবং উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও ইকুইপমেন্ট না থাকার কারণে । ছোট বাবু তোমাকে মনে করিয়ে দিতে চাই এই করনা ভাইরাসটা ডিসেম্বর 2019 থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকে তোমাদের এই সরকার এবং তাদের রাবিশ মন্ত্রী ও গৃহপালিত আমলারা এই করোনাভাইরাস এর জন্য কি প্রস্তুতি করেছে। কিছুই না।কারণ তোমরা যদি গুরুত্ব দিতে তাহলে মুজিব বর্ষ পালন করতে পারতেনা বাজি ফোটাতে পারতো না তোমাদের প্রাণপ্রিয় তোমাদের আশিক মোদীজি কে দাওয়াত দিতে পারতে না সেজন্য তোমরা এসব গুলাকে হাইড করেছ। এখন তুমি বলো ডাক্তারদের ইকুইপমেন্ট কেন নেই করোনাভাইরাস শনাক্তকারী কিটক্যাট কেন নেই , আর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ফান্ডে টাকা জমা না রেখে আতশবাজি করে লাভটা কি যদি জাতি না থাকে জাতের ফিতা দিয়ে কি লাভ ।এই জাতীয় যদি না থাকে তোমরা কার টাকা দিয়ে বিদেশে রাজত্ব করবে।তোমরা হয়তো ভাবছো তোমাদের ছাত্রলীগ ডান্ডা দিয়ে করো না বেড়াতে ঠান্ডা করে দিবে চেষ্টা করে দেখো

Khokon
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ৮:২৫

Thank you very much sir, for your status. We are thinking about you. You are save all are Bangladeshi save. Our prime minister, her ministers did everything for people. There is IEDCR, QUARANTINE SYSTEM all is working and doing well. There is stock food for one year. Thanks all of you who is governing us.

ওমর ফারুক
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ৮:১২

এই ভাইরাসের কথা না ভেবে বিশাল অংকের বাজেটে বর্ষ পালন করা হয়েছে। বিশাল অংকের ভারত থেকে াাামানি করা আতশবাজি ফুটানো হয়েছে। শিশুদের স্দবাস্থ্যের কথা না ভেবে স্কুল বর্ষ পালন পর্যন্ত খোলা রাখা হয়েছে। বাজারে নিত্য পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে কোন নিয়ন্ত্রনের ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছেনা। এগুলো কি বলা যায়না? এগুলো বাস্তব না? অনেকে যা বলে বেড়াচ্ছে তা ই রোমন্থন করে জাবড় কাটা কেন?

অন্যান্য খবর