× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৩০ মার্চ ২০২০, সোমবার

লকডাউন হলেও বন্ধ হবে না কোনো ব্যাংক

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ৯:০৪

দেশের পরিস্থিতি যত খারাপই হোক না কেন বন্ধ হবে না কোনো ব্যাংক। এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো শাখা বন্ধেরও অনুমতি দেয়া হয়নি। দেশের বিভিন্ন উপজেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হলেও ব্যাংকের কোনো শাখা বন্ধ করার অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিশেষ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিতীনির্ধারকরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানান, বিশ্ব মাহামামি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সব ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ অথবা অফিসিয়াল কাজে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তাদের ১৪ দিনের ছুটি দেয়া হবে। এমনকি যাদের পরিবারে কোনো সদস্য বিদেশ থেকে এসেছে তাদের ক্ষেত্রেও ১৪ দিন বাধ্যতামূলক ছুটি নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তিনি জানান, খুব শিগগির বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিটি বিভাগের সামনে থার্মাল স্ক্যানারের ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যেই বেশিরভাগ বিভাগের সামনে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকের কয়েকটি শাখা বন্ধ রেখে অন্যান্য শাখাগুলো বন্ধ ঘোষণার অনুরোধ করেছিল একটি ব্যাংক।
কিন্তু সেটা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কারণ সংকটের সময়গুলোতে মানুষের টাকার প্রয়োজন বেশি হয়। সতর্কতা অবলম্বন করে সবাই ব্যাংক থেকে টাকা উঠাতে ও জমা দিতে পারবেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, প্রত্যেকটি ব্যাংককে তাদের বোর্ড মিটিংগুলো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ করতে হবে ১০ জনের বেশি অংশগ্রহণকারী সব ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে একই স্থান থেকে সেই প্রশিক্ষণ শুরু হবে। আর যেসব প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১০ জনের কম তারা বড় কক্ষে দুই মিটার দূরত্ব বজায় রেখে প্রশিক্ষণ শেষ করবে।

সূত্র জানায়, প্রয়োজনে দীর্ধমেয়াদী বন্ডগুলো ক্যাশ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। এতে সময় হিসাব করে মুনাফা পরিশোধ করা হবে। যদিও অধিকাংশ ব্যাংকের তারল্যে কোনো সমস্য নেই। তারপরও যাদের সমস্যা হবে তারা বন্ডের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা নিতে পারবে। খুব শিগিগির এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Maruf
২৩ মার্চ ২০২০, সোমবার, ৭:৫২

Foul decision, can open after two week...

মোতালেব
২৩ মার্চ ২০২০, সোমবার, ৭:০৯

ডাক্তারদের ppe এর ব্যবস্থা সরকারিভাবে করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক হতে সকল ব্যাংকারদের জন্যও ppe এর ব্যবস্থা করা হউক।

YUSUF ali
২৩ মার্চ ২০২০, সোমবার, ৬:২৯

NGO GULO APADOTO BONDO HOOK??

রহিচ উদ্দিন
২৩ মার্চ ২০২০, সোমবার, ৬:১৯

করোনা ভাইরাস মনে হয় ব্যাংকারদের চিনে না। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি নাকচ করেছেন।

EMRAN
২৩ মার্চ ২০২০, সোমবার, ২:১৪

Bank staffs has no family, right? If they effected, their family will be effected. You are all secured except Banker. Idiotic decision! These people passed their degree by malpractice.

yeasin
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ৯:২৭

ব্যংক বন্ধ করবে না খুব ভালো। কিন্তু আমাদের দেশে বিভিন্ন এনজিও আছে যাদের প্রতি সপ্তাহে সপ্তাহে কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। মরুক আর বাচুক তারা কিস্তি টাকা এক সপ্তাহের জন্যও ছারে না। তাই বাংলাদেশ ব্যংক যদি কয়েক সপ্তাহের জন্য এ কিস্তি বন্ধ রাখার একরা ব্যবস্থা নিতো লক্ষ লক্ষ মানুষ এ চাপ থেকে রক্ষা পেতো।

অন্যান্য খবর