× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ২ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার
করোনা ভাইরাস

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বার নেতাদের সাক্ষাৎ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:৫৬

করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতারা। গতকাল সমিতির সভাপতি এএম আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে তার খাস কামরায় সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর সভাপতি এএম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে করোনা থেকে আমরা আইনজীবীসহ সবাই মুক্ত থাকতে পারি সার্বিক বিষয়ে কথা হয়েছে। এ সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি অন্যান্য বিচারপতিদের সঙ্গে বসবেন, তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। এর আগে সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি জ্যেষ্ঠ কয়েকজন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেন। এদিকে রোববার এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইনমন্ত্রী। এরপর বিকেলে একটি সার্কুলার জারি করে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। ওই সার্কুলারে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভুত পরিস্থি’তিতে দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে জনসমাগম পরিহার করা প্রয়োজন।
এ উদ্দেশ্যে দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে জামিন/অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও জরুরি বিষয় ব্যতীত অন্যান্য বিষয় যৌক্তিক সময়ের জন্য মূলতবি করা আবশ্যক। এমতাবস্তায় দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে জামিন/অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও জরুরি বিষয় ব্যতীত অন্যান্য বিষয় যৌক্তিক সময়ের জন্য মুলতবি করার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। এর আগে মুজিবর্ষ উপলক্ষে ১৮ মার্চ সুপ্রিমকোর্টে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে আমরা সচেতন। আমরা সব জজ সাহেব বসে সিদ্ধান্ত নেবো যে, এটা নিয়ে কী করা যায়। আপাতত এখন কোর্ট বন্ধ (অবকাশকালীন ছুটি) আছে। খোলার আগে আমরা একবার সবাই বসবো। সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীদের যেন ক্ষতি না হয়, সেদিকেও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। সবকিছু খেয়াল রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। নিম্ন আদালতের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, নিম্ন আদালতও সুপ্রিমকোর্টের আন্ডারে। সুতরাং, আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো। কারণ লাখ লাখ বিচারপ্রার্থীর কথা মাথায় রাখতে হবে। এরকমভাবে কোর্ট যদি পরিপূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে মানুষের সাফারিংস অনেক বেড়ে যেতে পারে। কারণ অনেকে জরুরি বিষয় নিয়ে কোর্টে আসে। সুতরাং, এগুলো নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর