× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ২ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার
ঢাকার রাস্তা ফাঁকা

শেষ মুহুর্তে বাড়ি ফেরার চেষ্টা

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:১৯

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ভয়ে গোটা বিশ্ব এখন কার্যত ঘরবন্দি। সংক্রমণ ঠেকাতে দেশেও নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে লঞ্চ, ট্রেনসহ সব গণপরিবহন। অভ্যন্তরীন রুটের বিমান চলাচল বন্ধ। দুটি ছাড়া আন্তর্জাতিক সব রুটে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ফ্লাইট। ছুটি ঘোষণা করায় বুধবারের মধ্যে ঢাকা ছেড়েছেন অনেকে।
লঞ্চ, ফেরিঘাট, বাস টার্মিনালে ভিড় জমেছে ঘর ফেরা মানুষের। এদিকে গণপরিবহন বন্ধের আগে গতকালও অনেকে ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করেছেন। এজন্য বাস টার্মিনালগুলোতে ভিড় ছিল প্রচুর। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়ায় এবং অফিস ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গতকাল ঢাকার চিত্র ছিলো অনেকটা ফাঁকা। দু একটি রুটে কিছু সময় পর পর বাস আসলেও তাতে যাত্রী ছিলো হাতেগোনা। রাজপথে রিকসাও সিএনজি অটোরিকশা তুলনামুলক কম ছিলো। শহরের দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে। ওষুধের দোকান, কাচাঁ পণ্যের দোকান ছাড়া বন্ধ রয়েছে শপিংমলগুলো। সড়কে পথচারীর সংখ্যাও কমে গেছে। প্রশাসনের সর্তকতার কারণে পাড়ার অলি-গলির চা দোকান, রেস্টুরেন্টসহ অন্যান্য দোকানপাট মঙ্গলবার রাত থেকে বন্ধ হয়ে গেছে। গাবতলী বাসট্যান্ড ও মহাখালী বাসট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, সেখানে বাড়ি ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভীড়। অথচ রাজধানী ছেড়ে নিজ নিজ গ্রামের না যাওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ করা সত্ত্বেও তা মানছে না অনেকেই। বুধবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত টার্মিনাল থেকে বাস ছাড়তে পারে এমন সংবাদে বাড়ি ফেরা মানুষ বাসট্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গলবার অনেকই বাড়ি ফিরতে না পারায় সারারাত বাসট্যান্ডে অবস্থান করেন। বুধবার দুরপাল্লার বাস ছাড়লে তারা নিজ নিজ এলাকায় চলে যান। জামালপুরগামী যাত্রী রুমানা জানান, করোনা আতঙ্কে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। ভোররাতে মোহাম্মদপুর থেকে হেঁটে তার ২ ছেলেকে নিয়ে মহাখালী বাস র্টামিনালে যান।  অন্যদিকে করোনা আতঙ্কে রাস্তায় মানুষের সমাগম ছিলো। কিন্তু এখন ভয়ে কেউ বের হচ্ছে না।  দোকানপাট সব বন্ধ। রিকসা ও সিএনজি তেমন পাওয়া যায় না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Professor Dr. M.H.Ra
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৪৫

সকালে বাজারে যেতে খেয়াল করলাম, লকদাউনের মধ্যে অনেকে এক কানে মুখশ লাগিয়ে ধুম্পান করছেন। ধুম্পান শেষে যথারিতি, যাহা পুরবং তাহা পরং শেজে পথ চলতে শুরু করলেন। কি সাঙ্গাতিক বদভ্যাস আমাদের পেয়ে বসেছে। এ যাবত যারা মারা গেছেন তাদের অরধেকের বেশি পুরুষ ধূমপায়ী। এত মৃত্যুর পরেও যেন আমাদের হুশ নেই! আমি শুধু ভাবি, আমাদের চেতনার এ দনেনর কবে শেষ হবে। অতএব, সিগারেট বিক্রি বন্ধ করা দরকার। ইলেকট্রনিক মিডীআ কে আর ও কার্যকর ভুমিকা রাখা উচিত।

অন্যান্য খবর