× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৭ জুন ২০২০, রবিবার

চীন করোনা ভাইরাস সৃষ্টি করেনি, ছড়িয়েও দেয়নি: চীনা মুখপাত্র

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ৭:২৮

চীন করোনা ভাইরাস সৃষ্টিও করেনি, তা ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়েও দেয়নি। করোনা ভাইরাসকে ‘চাইনিজ ভাইরাস’ অথবা ‘উহান ভাইরাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করার জবাবে একথা বলেছেন ভারতে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং। তিনি বলেছেন, চীনকে এভাবে দোষারোপ না করে কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের। এ খবর দিয়েছে ভারতের সরকারি বার্তা সংস্থা পিটিআই। এতে বলা হয়, ভারত ও চীন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেন জি রং। তিনি বলেন, এই মহামারির সময়ে এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত ও চীন একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। এক পক্ষ অন্যপক্ষকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। চীনকে মেডিকেল সহায়তা দিয়েছে ভারত।
এ ছাড়া সংক্রামক এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে নানাবিধ উপায়ে সমর্থন জানিয়েছে। এ জন্য ভারতের প্রশংসা করে চীন এবং তাদেরকে ধন্যবাদ জানায়।
জি রং বলেন, যেসব মানুষ চীনের উদ্যোগকে খাটো করে দেখার চেষ্টা করছে, তারা চীনের মানুষদের আত্মত্যাগকে অবজ্ঞা করছে। তিনি আরো বলেন, যদিও চীনের উহান শহরে প্রথম এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে, তা সত্ত্বেও এমন কোনো প্রমাণ নেই যে, এই করোনা ভাইরাসের উৎস চীন। জি রং বলেন, নোভেল করোনা ভাইরাসের অরিজিন বা উৎস বিজ্ঞানের বিষয়, এটা বৈজ্ঞানিক পেশাদার এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার বিষয়। চীন এই ভাইরাস সৃষ্টি করেনি। তারা এই ভাইরাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়েও দেয়নি। তথাকথিত ‘চাইনিজ ভাইরাস’ শব্দটি পুরোপুরি ভুল।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও করোনা ভাইরাসকে কভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসকে ‘উহান ভাইরাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এ মাসের শুরুর দিকে তার নিন্দা জানায় চীন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিষ্কার করে বলেছে, এই ভাইরাসের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট কোনো দেশ, কোনো অঞ্চল, জাতিগোষ্ঠীকে যুক্ত করা উচিত হবে না। ফলে কাউকে এ জন্য দোষারোপ করাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। জি রং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের অনুমান, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিজনাল ফ্লু। এতে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পরিচালক ড. রবার্ট রেডফিল্ড স্বীকার করেছেন এর মধ্যে প্রকৃতপক্ষে কভিড-১৯ আক্রান্তও রয়েছেন। তিনি আরো বলেন, চীনের উদ্যোক্তারা এরই মধ্যে ভারতের জন্য অনুদান দেয়া শুরু করেছেন। আমরা ভারতকে আরো সমর্থন ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। আশা করি, ভারতের জনগণ তাড়াতাড়িই এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজয়ী হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ইউসুফ
১০ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার, ৭:২০

চীনের ভায়েরা তোদের দোহায় লাগে তোরা কাঁচা ইঁদুর,মাছ, মাংস, পোকামাকড় খাইশ না। ওরে...খাবিই যখন একটু রান্না কইরাই খাঁ । আর নয়তো তোরা মরবি মরবি পুরা পৃথিবী বাসিরেও মারবি। ওরে চীনা ভাইয়েরা তোদের দোহাই লাগে একটু সভ্য খাওয়া দাওয়া শিখ। এইবার একটু থাম। আর টেনশন নিতে পারছিনা।

সুলতান
৬ এপ্রিল ২০২০, সোমবার, ২:০০

চীন করোনা ভাইরাস সৃষ্টি করে, সারা বিশ্বে ছড়িয়েও দিয়েছ।? একথা যারা বিশ্বাস করে ওরা সবাই বরবাদী ও অবিশ্বাসীদের অন্তরভুক্ত, করোনা ভাইরাস আল্লাহ্রর গাজব অথবা পরীক্ষা দুনিয়া বাসী ধৈর্যশীল ও ঈমানদারদের জন্য শুভ সংবাদ এবং পথভ্রষ্ট ও সীমালঙ্ঘন কারীদের জন্য গজব অথবা তৌওবা করে হেদায়েত হওয়ার সুযোগ করলেন মহান আল্লাহ্। বাকি সবই মহান আল্লাহ্ ভাল জানেন। বা

অন্যান্য খবর