× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, মঙ্গলবার , ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ শওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

‘ফিরোজা’য় যেভাবে সময় কাটছে খালেদার

প্রথম পাতা

শাহনেওয়াজ বাবলু
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার

দুই শর্তে ৬ মাসের জন্য মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ৭৭৬ দিন পর তিনি গুলশানের নিজ বাসায় ফিরেন বুধবার। বাসায় ফেরার পর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করেন। এর পরই বেগম জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার বাসায় যান। সেখানে চিকিৎসকরা বিএনপি চেয়ারপরসনের সঙ্গে দেখা করেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে খালেদা জিয়াকে নিবিড়ভাবে চিকিৎসা প্রদানের বিষয়টিকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। তাই আগামী ১৪ দিন বেগম জিয়া নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। বিএনপি সূত্রে জানা যায়, নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিনে থাকার সময় খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন তার গৃহকর্মী ফাতেমা।
এছাড়া তারজন্য একজন নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি বেগম জিয়াকে নিয়মিত ইনসুলিন দেবেন। এ সময় তারাও কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার মানবজমিনকে বলেন, ম্যাডাম আপাতত কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। এ সময়  তিনি কারো সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। সুস্থ হলে দলের সকল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এদিকে বুধবার খালেদা জিয়া নিজ বাসায় ফেরার পর থেকে তার পরিবারের সদস্যরা ওই বাসায় রয়েছেন। পরিবারের সূত্রে জানা যায়, বাসায় ফেরার পর বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধু জোবায়দা রহমান ও নাতনী জাইমা রহমানের সঙ্গে কথা বলেন খালেদা জিয়া। এ সময় তিনি কিছুটা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক ও বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, ম্যাডামকে বাসায় নেয়ার পরই আমরা উনার পরিবারের সঙ্গে বসে উনার চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা করেছি। উনি আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা গৃহকর্মী ও নার্সও কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। আমরা বুধবার থেকেই উনার প্রেসক্রিপসন মডিফাই করে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেছি। উনার স্বাস্থ্যের অবস্থা খুবই খারাপ। তবে দেশনেত্রী দীর্ঘদিন পরে বাসায় ফেরায় মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন।  

বিএনপির দুইজন স্থায়ী কমিটির সদস্য মানবজমিনকে বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ও তার নিরাপত্তাই দলের এখন সবচেয়ে বিবেচিত বিষয়। ম্যাডামের মুক্তিতে আমরা ভীষণভাবে স্বস্তিবোধ করছি এবং খুশিও। তিনি নিজের বাড়িতে অন্তত ফিরে এসেছেন। আমরা বিশ্বাস করি যে, তিনি মানসিকভাবে উন্নতি লাভ করবেন এবং শারীরিকভাবেও।
সাক্ষাতে বেগম জিয়ার সঙ্গে রাজনীতি নিয়ে কোন কথা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তারা বলেন, তিনি রাজনীতি নিয়ে কোন কিছু বলেননি। আমরাও তা চাই না।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর