× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৭ জুন ২০২০, রবিবার

লাল, কমলা ও সবুজের ঘেরাটোপে ভারত

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৬ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:০৫

ভারতে করোনা সংক্রমনে এখনও লাগাম দেওয়া সম্ভব হয়নি। গত ২৪ ঘন্টায় ৯৪১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আর মৃত্যু গয়েছে একদিনে ৩৭ জনের। ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রক সুত্রে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত ভারতে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ১২৩৮০। তবে এর মধ্যে ১৪৮৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিওে গিযেছেন। আর মৃত্যু হয়েছে মোট ৪১৪ জনের। দীর্ঘ একুশ দিনের লকডাউনের পর ফের আরও ১৯ দিন লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে করোনার শৃঙ্খলকে ভাঙার লক্ষ্য নিয়ে। আর তাই আগামী দুই তিন সপ্তাহ কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর করার জন্য ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে নির্দেশ পাঠানো হযেছে।
সেইসঙ্গে সংক্রমণের নিরিখে ভারতকে লাল, কমলা ও সবুজ গন্ডিতে আটকে রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতের ৭৩৬টি জেলার মধ্যে ১৭০টি জেলাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও আরও ৪০০ জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে যেখানে এক বা একাধিক সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত জেলাগুলিকে রাখা হয়েছে লাল জোনে। মুম্বাই, পুণে, সুরাট, দিল্লি, বাঙ্গালুরু, কলকাতা সহ ভারতের ৮টি মেট্রো শহর রয়েছে এই তালিকায়। ভারত সরকারের ঘোণিত হটস্পটের তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলা। এগুলি হল, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর ও উত্তর ২৪ পরগণা। লাল জোনের অন্তর্ভুক্ত এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আর তাই হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত জেলাগুলিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সন্দেহভাজন আক্রান্তদের খোঁজ করা হচ্ছে। এই এলাকাকে সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে। বাইরে বেরোনো এবং ভিতরে প্রবেশ কোনটাই চলবে না। সিলকরা এলাকার বাইরে করা হয়েছে বাফার জোন।  সেখানকার মানুষ অবশ্য খুব প্রযোজনে অনুমতি সাপেক্ষে বাইরে যেতে পারবেন। তবে হটস্পট এলাকায় সকলকেই থাকতে হচ্ছে ঘরের মধ্যে। প্রযোজনে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ১৪ দিনে নতুন কোনও সংক্রমণ ধরা না পরলে সেই এলাকাকে কমলা জোনে নিয়ে আসা হবে।  যেখানে এক বা একাধিক ব্যাক্তির সংক্রমণ ধরা পড়েছে সেই জেলাগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে কমলা জোনে। এই জোনে দেশের ৪০০টি জেলা রয়েছে। তবে এই জেলাগুলিতে নতুন করে যাতে সংক্রমণ না ছড়ায় সেজন্য লকডাউন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে স্যানিটাইজেশনের উপর। আর সবুজ জোন হল সেই সব জেলা যেখানে কোনও সংক্রমণের ঘটনা এখন পর্যন্ত ধরা পড়েনি। আগামী দিনগুলিতে এই জোনে যাতে কোনও সংক্রমণের ঘটনা না ঘটে সেজন্য কঠোর ভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে এই জোনেই শর্তসাপেক্ষে ২০ এপ্রিলের পর সীমিত পরিসরে কাজকর্ম শুরুর ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে।
Ok

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর