× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৭ জুন ২০২০, রবিবার

ভারতে ১৬ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে লকডাউন?

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২৬ এপ্রিল ২০২০, রবিবার, ১০:৩৮

ভারতে কি তৃতীয় দফায় লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে ? প্রথম দফায় ২১ দিনের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। এরপর এসেছে ১৯ দিনের লকডাউনের ঘোষণা। তবে এবার বিভিন্ন মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, আগামী ১৬ মে পর্যন্ত ভারত সরকার আরও ১৩ দিনের জন্য লকডাউন বৃদ্ধি করতে পারে। সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা না হলেও গোটা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্তদের উদ্ধৃত করে শুক্রবার রাতে এরকমই জানিয়েছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। সংক্রমণের হার যেভাবে বাড়ছে তাতে  সরকার এখনই দেশজুড়ে লকডাউন প্রত্যাহারের মতো ঝুঁকি নেবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও তেমনই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য লকডাউন বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছে। মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ হটস্পট এলাকায় লকডাউন বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে।
তেলেঙ্গানা ইতিমধ্যেই লকডাউন ৭ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে আরও ১৫ দিন হটস্পট এলাকায় লকডাউন বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের একটি রিপোর্টে মে মাসের মাঝামাঝি সংক্রমণ বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী আগের বারের মতো এবারও সিদ্ধান্ত নেবার আগে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন। জানা গেছে, আগামী সোমবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্স করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই কনফারেন্সের ফলাফলের ভিত্তিতে লকডাউন নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনেকাংশে নির্ভর করছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণামতো দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ হবে আগামী ৩মে। তার পরে কি লকডাউন একেবারে উঠে যাবে নাকি ধীরে ধীরে শিথিল করা হবে তা নিয়ে জল্পনা দেশ জুড়ে। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের চেয়াপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিষয়ে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আম নাগরিক হিসেবে তাঁর বক্তব্য জানিয়েছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ৪ মে-র পর দু’সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিন ধাপে লকডাউন তোলা উচিত। ৪ মে থেকে যে সপ্তাহ শুরু হচ্ছে ওই সপ্তাহে ২৫ শতাংশ লকডাউন এবং ৪ মে-র পর দ্বিতীয় সপ্তাহে ৫০ শতাংশ খুলে দেওয়া উচিত। মমতা আরও জানিয়েছেন, ৪ মে-র পরবর্তী ২ সপ্তাহের পরই লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত। মমতার মতে, করোনাভাইরাসের থেকে প্যানিক ভাইরাস আরও খারাপ।  এদিকে, লকডাউনের জেরে অর্থনীতি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশের ইতিহাসে এবার জিডিপির রেকর্ড পতন হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। ফলে একদিকে সংক্রমণ ঠেকানো এবং সেইসঙ্গে থমকে যাওয়া অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার মধ্যরাতে সরকার শনিবার থেকেই  দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘শপস অ্যান্ড এস্টাব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট’-এ রেজিস্টার্ড সব দোকান খুলতে পারবে। রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স, পাড়ার দোকানগুলিকেও ছাড় দেয়া হয়েছে। তবে, হটস্পট বা কনটেইনমেন্ট জোনের ক্ষেত্রে এবং মাল্টি ও সিঙ্গল ব্র্যান্ড মলের দোকানের ক্ষেত্রে এই ছাড় বলবৎ হবে না। গত ২০ এপ্রিল থেকে শর্তসাপেক্ষে  শিল্পের কিছু ক্ষেত্রে ছাড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর