× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৩ জুন ২০২০, বুধবার
কলকাতা  কথকতা        

ভারতের সংবাদপত্র দুনিয়ায় ধস,  পনেরো হাজার কোটি টাকা ক্ষতি       

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত  চক্রবর্তী,  কলকাতা  | ২ মে ২০২০, শনিবার, ৩:৩৭

করোনা ভাইরাসের  দাপটে লকডাউন।  আর তাতেই  কার্যত ধসে পড়েছে  ভারতীয় খবরের  কাগজের দুনিয়া।  ভারতীয় সংবাদপত্র গুলোর অবিভাবক  ইন্ডিয়ান নিউজপেপার সোসাইটি জানাচ্ছে,  ক্ষতির পরিমাণ সারা ভারতে প্রায় পনেরো হাজার কোটি টাকা।  এই অর্থ খবরের কাগজের রেভিনিউ লস বলেই ধরা হচ্ছে।  মূলত লকডাউন এর ফলে ব্যবসা বাণিজ্যে প্রবল ভাঁটা পড়েছে।  তার ফলে প্রথম যে বাজেটে ঘাটতি এসেছে তা হলো বিজ্ঞাপনের বাজেট।  ফলে  বিজ্ঞাপনের জোয়ার কমেছে।  সরকারি আনুকূল্য ধন্য কাগজগুলো সরকারি বিজ্ঞাপন পেয়ে সরকারের মাউথপিসে পরিণত হচ্ছে,  কিন্তু সেই বিজ্ঞাপনের টাকা কবে মিলবে তার নিশ্চয়তা নেই।  সব মিলিয়ে খবরের কাগজের দুনিয়া কিঞ্চিৎ ব্যাকফুটে।  ইন্ডিয়ান নিউজপেপার সোসাইটি সব দিক বিবেচনা করে কেন্দ্রের মোদি সরকারের  কাছে বিপন্ন সংবাদপত্র শিল্পের জন্যে এককালীন অনুদান চেয়েছে।  এছাড়াও নিউজপ্রিন্ট আমদানির ওপর কড়ে ছাড়  চাওয়া হয়েছে।  সংবাদপত্রের ওপর যে কোনো কড়ে ট্যাক্স হলিডে প্রার্থনা করা হয়েছে।  লকডাউন আরও বেশি চললে বেশ কিছু সংবাদপত্র যে ঝাঁপ বন্ধ করতে বাধ্য হবে তাও বলছে আই এন এস।  ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় শ্রম  মন্ত্রক একটি সার্কুলার দিয়ে জানিয়েছে, বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে যেন কর্মী  ছাঁটাই ও সংকোচন না হয়।  সংবাদপত্র মালিকদের দাবি,  অনুদান এবং সুষম  বিজ্ঞাপন পেলে তারা কোনো কর্মী ছাঁটাই করবে  না।  কিন্তু সরকার যদি ভাত না দিয়ে শুধু কিল মারে তাহলে কোনো উপায় থাকবে না।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
২ মে ২০২০, শনিবার, ১০:০০

আরও ক্ষয়ক্ষতি হওয়া দরকার, তারপর যদি হুঁশ হয় মিডিয়ার, রুখে দাঁড়ায় সুচিক্রের জীবাণু যুদ্ধ, লক ডাউন আর সুদপ্রথার বিরুদ্ধে। হাঙরের কপাকপ গেলাগেলি চলছে আজ ওখানে পড়শি ভারতে। কাল শুরু হবে আমাদের দেশেও। সরাসরি সুদিচক্রকে দুষবেন? সে উপায় রাখে নি। পরে আছে হরেক চতুর ডাইভারশন মাস্ক, শেয়ালি ধূর্ততায় - করোনা! লক ডাউন! বলবে এসবের জন্যেই হচ্ছে ওসব। বলিহারি আমরা! গবেটের মতো বিশ্বেস করি সুদিচক্রকে। আমেরিকার মিশিগানের বুদ্ধিমান শিক্ষিত সচেতন মানুষের মতো রাস্তায় বেরিয়ে পড়ি না সুদিচক্রের বিরুদ্ধে। মাত্র গতকালই বেরিয়েছে তারা অস্ত্র গোলাবারুদ নিয়ে রাস্তায়। সুদিদের পোশাকি লেঠেলরা বাধা দিলেই, বাধবে লড়াই। তারা লক ডাউন মানে না। তাদের কাছে সুদিচক্রের ভূয়া প্রেসক্রিপশন পাইকারী হারের লক ডাউনের চাইতে, স্বদেশের অর্থনীতি, দেশীয় অর্থনৈতিক ব্যবসায়িক উদ্যোগ, আর স্বদেশের মানুষের স্বাধীন নির্ভীকভাবে বেঁচে থাকা অনেক মূল্যবান। সুদিদের ক্রীতদাস হয়ে বাঁচার চাইতে, নিজেদের সৃজনশীলতা দিয়ে মুক্ত স্বা্ধীন মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকাটা অনেক বেশি দামী। ছোট পুঁজিকে বড় পুঁজির হাঙরেরা গ্রাস করা শুরু করছে আজ পড়শি ভারতে। মানুষ, মানবতা, দেশীয় শিল্প, দেশীয় উদ্যোগ ও দেশজ সংস্কৃতির বিকাশ - ওসবের পরোয়া করে না আন্তর্জাতিক সুদিচক্র। নিজেদের সুদি স্বার্থে, নিজেদের হাবিয়া দোজখের খাঁই মেটাতে ওদের চাই টাকা, আরও টাকা। দেশীয় শিল্প, দেশীয় উদ্যোগ, দেশজ সংস্কৃতি, মানুষ, মানবতা - এসবকে টুঁটি টিপে মেরে ফেলে হলেও ওদের চাই টাকা, আরও টাকা। কারণ, তাদের দর্শন - টঙ্কাহি কেবলম। টাকাই সব। টাকাই ক্ষমতা, টাকাই শক্তি - Money is power!

অন্যান্য খবর