× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ২৫ মে ২০২০, সোমবার

ঈদের কেনাকাটা করা থেকেও বিরত থাকার আবেদন

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ৫ মে ২০২০, মঙ্গলবার, ৭:২০

লকডাউন বিধি মেনে চলার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের কাছে আগেই আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের ইসলামি ধর্মগুরুরা। এবার তারা ইদের কেনাকাটা করা থেকেও বিরত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। এক যুক্ত বিবৃতিতে সর্বভারতীয়  মিল্লি কাউন্সিলের রাজ্য শাখার সভাপতি ফজলুর রহমান, জামাতে ইসলামি হিন্দের রাজ্য সভাপতি মৌলানা আব্দুল রফিক, নাখোদা মসজিদের ইমাম শফিক কাশেমি, ফুরফুরা দরবার শরিফের প্রধান ত্বহা সিদ্দিকি বলেছেন,  খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বেরোবেন না। এমনকি, ঈদের কেনাকাটা করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।এছাড়াও এই বিবৃতিতে আবেদন জানিযেছেন, জমিয়তে উলেমা হিন্দের সম্পাদক ক্বারি মওলানা শামসুদ্দিন, সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ কামরুজ্জামান, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য রইসুদ্দিন।  রেড রোডের বৃহত্তম ইদ নামাজের প্রধান সঞ্চালক ফজলুর রহমান বলেছেন,আমরা মসজিদে না গিয়ে, কষ্ট স্বীকার করে বাড়িতে নমাজ পড়ছি। তা হলে কেন ঈদের কেনাকাটার জন্য বাজারে যাওয়া বন্ধ রাখতে পারব না ? আগামী কয়েক সপ্তাহ আমাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। সরকারের অনুরোধে লকডাউনের বিধি মেনে মসজিদে সাধারণ মানুষের নামাজ পড়া বন্ধ করা হয়েছে। এখন মসজিদে আজান দেওয়া হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ এড়ানোর জন্য হাতে গোনা কয়েক জন সেখানে গিয়ে তারাবি ও ফরজ নামাজ পড়ছেন।
বাকিরা নামাজ পড়ছেন বাড়িতেই। এই ধারা বজায় রাখার জন্য ফের ধর্মগুরুরা আবেদন জানিয়েছেন।  একই ভাবে প্রকাশ্যে ইফতার পার্টি না করার জন্যও বলা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্ভবত ২৫ মে ঈদ। তত দিন পর্যন্ত চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা ও চিকিৎসকদের পরামর্শ কঠোর ভাবে প্রত্যেককে মেনে চলতে হবে। সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে প্রশাসনকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
SHOHEL MAHMUD
৫ মে ২০২০, মঙ্গলবার, ১০:৩৫

যেহেতু ঝুঁকি বাড়বে তাহলে খোলার প্রয়োজন কি?

অন্যান্য খবর