× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার

আফ্রিকায় আক্রান্ত এক লাখ , মৃত ৩১০০

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ মে ২০২০, শনিবার, ১১:২৭

আফ্রিকার প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ। এরই মধ্যে কমপক্ষে এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন সেখানে। মারা গেছেন কমপক্ষে ৩১০০। শুক্রবার এসব কথা বলেছে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা। এর আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক ডা. মাতশিদিসো মোইতি বলেছেন, আস্তে করে আফ্রিকায় পা ফেলেছে কোভিড-১৯। বিশে^র অন্য অঞ্চলগুলোতে যে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে মৃত্যুর সংখ্যায়, এখানে এখনও অতোটা প্রখর নয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। শুক্রবারের এই ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার হেলথ ইমার্জেন্সিজ প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইক রায়ান।
তিনি বলেছেন, একদিকে বিষয়টা ভাল খবর। কিন্তু কিছু দেশে সংক্রমণের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে- এটা উদ্বেগের। তিনি আরো বলেছেন, আফ্রিকায় অনেক অত্যন্ত ঝুঁকিতে থাকা গ্রুপ আছে। তাদের ভিতর এই ভাইরাস সংক্রমণ হলে কি ঘটনা ঘটে তা আমাদেরকে দেখতে হবে। এখানে মারাত্মক অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ওপর কি ভয়াবহ প্রভাব পড়বে এতে, আমরা তা জানি না। গাদাগাদি করে বসবাস করা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে কি প্রভাব পড়বে, আমরা তাও জানি না। ফলে এখনও অনেক কিছু জানতে বাকি আছে। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার বিবৃতিতে ইউরোপের সঙ্গে আফ্রিকার তুলনা করা হয়েছে। তাতে দেখানো হয়েছে ইউরোপে যখন এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনা ভাইরাসে, তখন সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল ৪৯০০। এক্ষেত্রে আফ্রিকায় এ সংখ্যা ৩১০০। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করে আফ্রিকায় মৃত্যুহার অনেক কম। কারণ, সেখানকার জনসংখ্যার বড় অংশই তরুণ, যুবক। মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬০ ভাগের বেশির বয়স ২৫ বছরের নিচে।
বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, আফ্রিকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে পরীক্ষা করার হার অনেক কম। অনেক দেশই পরীক্ষা করার সংখ্যা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় সমর্থন চেয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে দ্রুততার সঙ্গে আফ্রিকার সরকারগুলো ঘরে থাকা, শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আদেশ জারি করে তা বাস্তবায়ন করেছে। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা পূর্বাভাস দিয়ে বলেছে যদি কনটেইনমেন্ট কর্মসূচি ব্যর্থ হয় তাহলে আফ্রিকার হাসপাতালগুলোতে রোগীর ঠাঁই দেয়া কঠিন হয়ে যাবে। এই মহাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছে সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনা রোগী। তাদের সংখ্যা কমপক্ষে ১৮,০০০। এ দেশটি ৫ সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করে। তা শেষ হয় ৩০ শে এপ্রিল। সরকার ১লা জুন থেকে স্কুল খুলে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর