× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১ জুন ২০২০, সোমবার

‘গ্রাহককে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে না’

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ২৩ মে ২০২০, শনিবার, ৭:৪৬

প্রাক্কলিত বিদ্যুৎ বিলের অসামঞ্জস্যতা পরবর্তী মাসের বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ব্যবহৃত বিদ্যুতের বেশি বিল গ্রাহককে পরিশোধ করতে হবে না। শনিবার বিদ্যুৎ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো কোনো গ্রাহকের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ গ্রাহকদের উদ্দেশে এতে আরও বলা হয়, মহামারি করোনার বিস্তার রোধে বর্তমানে অনেক গ্রাহকের আঙ্গিনায় সরজমিন গিয়ে মিটার রিডিং গ্রহণপূর্বক বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত করা হচ্ছে না। দেশের বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বাধ্যবাধকতার ফলে গ্রাহক ও বিদ্যুৎ কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আগের মাসের বা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের বিলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রাক্বলিত বিল প্রদান করা হচ্ছে। প্রাক্কলিত বিলের সঙ্গে গ্রাহকের প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ কম/বেশি বা কোনো অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হলে পরবর্তী মাসের বিলের সঙ্গে তা সমন্বয় করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ব্যবহৃত বিদ্যুতের বেশি বিল গ্রাহককে পরিশোধ করতে হবে না।
সরকার ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে গ্রাহকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব মাসুল মওকুফ করেছে। ফলে কোনো প্রকার বিলম্ব মাসুল ছাড়াই ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিলের বিল আগামী ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করা যাবে। বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কারো জিজ্ঞাসা বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে ব্যাংকে বিল পরিশোধের পাশাপাশি সুবিধা অনুযায়ী বিকাশ/নিজস্ব বুথ/মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
তপু
২৩ মে ২০২০, শনিবার, ৮:২৬

পানির অতিরিক্ত বিল কী হবে?ঢাকা ওয়াসা মার্চ মাসে শূন্য ইউনিট ব্যবহার দেখিয়ে গ্রাহকপ্রতি ১৩২ টাকা অতিরিক্ত আদায় করছে।

Nezam
২৩ মে ২০২০, শনিবার, ৮:০০

আমরা জানি করোনার কারণে সমস্যা হচ্ছে ,কিনতু সবসময় ৮/১০ হাজার টাকা বিল প্রতিমাসে দেওয়া হয়.এখন হঠাৎ করে ৫০ হাজার টাকা যদি বিল করা হয় তাহলে ? আল্লাহর ওয়াসতে মানুষকে এবার মুক্তি দিন.মৃত্যু খুব কাছে চলে এসেছে !

রাহমান
২৩ মে ২০২০, শনিবার, ৭:৫৩

ধন্যবাদ স্যার যদি এমনটা হয় আমি একজন বাড়াটিয়া থাকি ব্রাহ্মনবাড়ীয়া ১০/০৩/২০২০ থেকে অবধি আমার পরিবারের কোন লোক জন বাসা ব্যাবহার করছি না কিন্তু বিদ্যুৎ বিল পপরিশোধ করতে হচ্ছে ৯০০ টাকা তার মানে কি

ফারুক
২৩ মে ২০২০, শনিবার, ৭:২৭

প্রিপেইড মিটারের বিলের বেয়াপারে কোনো ধরনের সুযোগ সুবিধা আছে কিনা ? চলিত করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে অধিকাংশ গ্রাহক মিটারের কার্ড লোড করতে হিমশিম খাচ্ছে । এব্যয়াপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি--------?

Al-Faruque
২৩ মে ২০২০, শনিবার, ৭:৫৯

Jibon Dharon Kora Jekhane Mushkil Ei Obosthay Biddyut Bill Bashi Ashlo Kom Ashte Parlo Na? Ata Micha Santona Sara Kisui Na.

অন্যান্য খবর