× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৪ জুলাই ২০২০, শনিবার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিজে’তে রিপোর্ট জমা দিয়েছে মিয়ানমার

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৪ মে ২০২০, রবিবার, ৯:৪৭

ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রথম রিপোর্ট জমা দিয়েছে মিয়ানমার। এতে গণহত্যা থেকে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দিতে কি কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে বলে খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। তবে রিপোর্টের বিস্তারিত বর্ণনা প্রকাশ করা হয় নি। আইসিজেও তা প্রকাশ করবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। হেগে অবস্থিত এই আদালত জানুয়ারিতে অন্তর্বতীকালীন আদেশ ইস্যু করে। তাতে মিয়ানমারকে রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের সেফগার্ড বা নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা নিতে বলা হয় এবং আদালতকে তা জানাতে বলা হয়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে গত বছর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালতে মামলা করে গাম্বিয়া। আদালত তা আমলে নিয়ে বিচার কাজ শুরু করে।
সেই বিচারে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ান সশরীরে দেশটির বেসামরিক নেত্রী অং সান সুচি। এ সময় তার সরকার তীব্রভাবে অভিযোগ অস্বীকার করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাডোলু’কে বলেছেন, এপ্রিলে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের অফিস থেকে যে তিনটি নির্দেশনা ইস্যু করা হয়েছিল তার ভিত্তিতে একটি রিপোর্ট শনিবার আইসিজেতে জমা দিয়েছে মিয়ানমার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেছেন, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট গণহত্যার তথ্যপ্রমাণ সরিয়ে ফেলতে বা ধ্বংস না করতে আঞ্চলিক সরকার ও সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি গণহত্যামুলক কর্মকান্ড বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে উস্কানি ও ঘৃণাপ্রসূত বক্তব্য না দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের এম্বাসেডর অ্যাট লার্জ ডেভিড শিফার বলেছেন, আদালতে মিয়ানমারের রিপোর্ট জমা দেয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিশ^কে জানা উচিত মিয়ানমার শুধু আন্তর্জাতিক নির্দেশ মেনে চলছে কিনা। একই সঙ্গে এটা জানতে হবে তারা এটা সত্যিকার অর্থে করছে কিনা। কোনো অবহেলা করে করছে কিনা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Morsidul
২৪ মে ২০২০, রবিবার, ১:৫৯

ঠেলার নাম বাবাজী।এতদিন কোনো পাত্তাই দেয়নি।উল্টো বাংলাদেশ এর উপর দায চাপিয়ে মূচকি হেসেছে অঙ সাঙ সূকি এণ্ড কোং। রোহিঙাদের সহ্য করতে না পারলে তাদের জন্ম ভূমি আরাকান টা তাদেরকে ছেড়ে দিলেই তো হয় যেভাবে ইন্ডোনেশিয়া পূর্ব তিমূর, সূদান দক্ষিন সূদান ও মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুর কে ছেড়ে দিয়েছিল।

অন্যান্য খবর