× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার

অনার কিলিং: ইরানে বাবার হাতে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী খুন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৭ মে ২০২০, বুধবার, ৭:০৯

ইরানে নিজের ১৪ বছর বয়সী মেয়েকে খুনের দায়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ওই ব্যক্তি নিজের মেয়েকে ‘পারিবারিক সম্মান রক্ষার্থে খুন’ (অনার কিলিং) করেছেন। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, অনার কিলিংয়ের শিকার হওয়া ওই কিশোরীর নাম রমিনা আশরাফি। স্থানীয় গণমাধ্যম অনুসারে, ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার। কিন্তু তার বাবা ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাকে বিয়ে দিতে অসম্মতি জানায়। পরবর্তীতে প্রেমিকের সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় আশরাফি। কিন্তু পুলিশ তাদের খুঁজে বের করে আশরাফিকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।
যদিও আশরাফি বারবার তাকে বাড়ি না পাঠানোর আকুতি জানিয়েছিল। পাঠালে তাকে মেরে ফেলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল। কিন্তু তার অনুরোধে সাড়া দেয়নি পুলিশ। এ ঘটনাই তার অকাল মৃত্যু ডেকে আনে। অভিযোগ উঠেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে তার রুমে ঢুকে তাকে খুন করে তার বাবা।
স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল গিলখাবার জানিয়েছে, আশরাফিকে কাস্তে দিয়ে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেছে তার বাবা। হত্যা শেষে নিজেই কাস্তেসহ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন ও নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন।
আশরাফি হত্যার ঘটনায় ইরানজুড়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা গেছে। টুইটারে হ্যাশট্যাগ #রোমানিয়া_আশরাফি ব্যবহৃত হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি বার। বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, ইরানের আইন অনুসারে, গৃহ নির্যাতন বা অনার কিলিংয়ে কোনো পরিবারের সন্তানদের হত্যা বা শারীরিকভাবে আঘাত করার ঘটনায় বাবা বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের শাস্তির পরিমাণ কমিয়ে দেয়া হয়। কোনো ব্যক্তি যদি তার মেয়েকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে তাকে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড দেয়ার নিয়ম রয়েছে সেখানে। যদিও অন্যান্য খুনের ক্ষেত্রে সাধারণত অর্থ বা মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবু বকর
২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:০৩

রিপনের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। মেয়ে হত্যার শাস্তি ৩-১০ বছরের কারাদণ্ড, অন্যান্য হত্যায় অর্থ বা মৃত্যুদন্ড - এ বৈষম্য সম্পর্কে তথ্য থাকলে মতামতটি পূর্ণাঙ্গ হতো।

রিপন
২৭ মে ২০২০, বুধবার, ৯:০১

প্রতিবেদনে কিছু তথ্য মিসিং। ১. ইরানে ১৩ বছর বয়েসী মেয়েদের বিবাহ বৈধ। ২. এ ধরণের হত্যা ইসলামে হারাম। ৩. পুরো ইরান এই হত্যাকাণ্ডে ক্ষুব্ধ আলোড়িত। 8. ইরানের প্রেসিডেন্ট এ ধরণের হত্যা বন্ধে সংসদে কঠোরতর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। কিশোরী রুমিনা আশরাফির (১৪) হত্যাকারী বাবা কৃষক রেজা আশরাফিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার ত্বরিৎ বিচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে, দেশটির বিচার বিভাগেরই ত্বরিৎ নির্দেশে; ধারণা করা হচ্ছে ঘাতক পিতা রেজাকে কোন ছাড় দেবে না ইরান, রেজার দৃষ্টান্তমূলক কঠোর দণ্ডবিধান করা হবে, যেন ভবিষ্যতে আর কেউ এমন হত্যাকাণ্ডে সাহসী না হয়। ৫. অনাকাঙ্খিত এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে তেহরান থেকে ৩২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমের রিমোট এলাকা তালেশ-এ। যার তাৎপর্য হলো অশিক্ষিত মানুষের কর্মকাণ্ড কখনই সমগ্র জাতির মানসিকতার, আইনের প্রতিনিধিত্ব করে না। দৃষ্টান্তস্বরূপ মাত্র ক'দিন আগে চট্র্গ্রামের মাঝির হাট থেকে দু'ছেলে তাদের অসুস্থ বাবোকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে বস্তাভর্তি করে মাইক্রোযোগে তাদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে ফেলে আসে ও বাবা মারা যান। অনুরূপ, মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে গেছে এমন ঘটনাও ঘটেছে। অশিক্ষিত কিছু মানুষের এই কর্মকাণ্ড কিছুতেই পুরো বাংলাদেশের মানুষের মনন মানসিকতা ও আইনের প্রতিনিধিত্ব করে না। ইরান একটি ইসলামি রাষ্ট্র যা হাজারো প্রতিকূলতা ও বৈরিতার মাঝ দিয়েও টিকে আছে, এগিয়ে চলেছে আজও। আশা করি, দয়া করে, সবাই প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করে নেবেন। প্রীতি নিন সকলে। সত্যম শিবম সুন্দরম!

Md. Shahid ullah
২৭ মে ২০২০, বুধবার, ৮:৩১

ওর বাবাকে শুলে চড়া হোক। ডিজওনার কিলিং হোক।

Mollah Nurul Islam
২৭ মে ২০২০, বুধবার, ৭:১২

This is an inhuman task. First of all, need to identity those policemen who sent her to his parent after requesting of Asrafi. The policemen sent her to her family knowing such situation. So, the policemen and the law and justice of Iran is very cruel. I, personally hate the Iran and its law for acting against the human.

অন্যান্য খবর