× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার

গণপরিবহণের ভাড়া বৃদ্ধির সুপারিশ অগ্রহণযোগ্য: ক্যাব

অনলাইন

স্টফ রিপোর্টার | ৩০ মে ২০২০, শনিবার, ৮:৪৪

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর বাসভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটির সুপারিশ অগ্রহণযোগ্য ও সুবিবেচনা প্রসূত হয়নি বলে মনে করে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। আজ সন্ধ্যায় দেয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, এমনিতেই যখন দুই মাসের বেশী সময়ের জন্য লকডাউনের কারণে দেশের অধিকাংশ জনগণের আয়ের সংস্থান নেই তখন বাসভাড়া ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি করে গণপরিবহনের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য বাড়তি ভাড়া যাত্রীদের ওপর চাপিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। যেহেতু প্রতিটি বাসে ৫০ শতাংশ সিট খালি রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাই বাস মালিকদের যেন আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি না হতে হয় সেজন্য সরকার অন্যান্য শিল্প-বাণিজ্যের ন্যায় গণপরিবহণের জন্যও আর্থিক প্রণোদনা বা ভর্তুকি এবং স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত কয়েক দশকের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ব বাজারে এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, তাই বিশ্ব বাজারের সাথে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হলে বাস ভাড়া বৃদ্ধি করার আদৌ প্রয়োজন হবে না। বরং গণপরিবহণের ভাড়া কমানোর সুযোগ হতে পারে। এই দুর্যোগকালীন সময়ে বাস ভাড়ার বাড়তি চাপ জনগণের ওপর যেন কোনভাবেই না পড়ে তা সেজন্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। কোন রুটে গণপরিবহনের মালিকেরা বাস চালাতে অস্বীকৃতি জানালে সেক্ষেত্রে বিআরটিসি'র মাধ্যমে বাস চালানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই দুর্যোগের সময়ে রেল ও নৌ পরিবহনখাতে ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্তের জন্য সরকার ও লঞ্চ মালিকদের প্রতি ক্যাব ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে।

ক্যাব মনে করে, বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করা হলে এর প্রভাব অন্যান্য খাতেও পড়বে, মুদ্রা স্ফীতি দেখা দেবে, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।
ক্যাব আশা করে, দেশের জনগণের কষ্ট ও দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির পদক্ষেপ হতে সরকার বিরত থাকবে এবং ভোক্তাদের আর যেন দুর্ভোগে পড়তে না হয় সেজন্য সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আলম গীর
৩১ মে ২০২০, রবিবার, ২:৪২

প্রয়োজনে বাস বন্ধ থাকুক , তাদের না পোষলে , জনগন পায়ে হেটে চলবে অতীতে আমারা 72 ঘন্ট 60 ঘন্টা হরতালের সময় অফিস সহ যাবতিয় কাজ করছি , এখনও করব তবুও ভাড়া বাানো যাবে না । বাস মালিক সমিতি সরকারের কাছ থেকে প্রনোধনা নেবে , সামাজিক দূরত্ব কেউ মানবে না , যার প্রয়োজন সে দু্ই সিট নেবে , সি এন জি তে যাবে তবুও এটা করা যাবে না । করলে জনগনের গলায় ছুরি চালানোর সামিল ।

মুহম্মদনূরুলইসলাম
৩০ মে ২০২০, শনিবার, ১১:৪৩

ভাড়া বৃদ্ধির কোনো কারণ দেখি না। যারা ভ্রমণ করবে বা পরিবহন ব্যবহার করবে তারা দুটি সিটের ভাড়া দিয়ে একটি সিট ব্যবহার করবে। ভাড়া বাড়ালে এটা পরে কমাবে কে? ভাড়া কমানোর নিশ্চয়তা কে দেবে? এদেশে কোনো কিছুর দাম একবার বাড়লে তা কমেছে এরকম কোনো উদাহরণনে নেই। ভাড়া বাড়ানো আমাদের উপর রাষ্ট্রীয় জুলুম। এটা অন্যায়। এটা সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া যায় না। সর্বস্তরের জনগনকে এর প্রতিবাদ করা উচিত।

রিপন
৩০ মে ২০২০, শনিবার, ৯:২৩

প্রণোদনা ফাকিজের টাকা গণপরিবহনকে ভর্তুকি দিলে লুটপাটে আউয়ামি লুটপাট সিনডিকেট লিকের ভাগে কম পড়ে যাবে যে!

অন্যান্য খবর