× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৪ জুলাই ২০২০, শনিবার

ক্রিকেটারদের ট্রেনিংয়ের পরিকল্পনা চেয়েছে বিসিবি, তবে...

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ৩ জুন ২০২০, বুধবার, ৭:০৯

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দুই মাসের বেশি সময় ধরে বাসায় বসে আছেন ক্রিকেটাররা। নিজেদের ট্রেনিং নিজেরাই সেরে নিচ্ছেন।  যাদের জিম করার আধুনিক যন্ত্র আছে তাদের জন্য বাসায়  কাজ করা সহজ হচ্ছে। কিন্তু যাদের নেই তাদের জন্য বাসার সিঁড়ি কিংবা ছাদই ভরসা। অন্যদিকে ইনজুরি আক্রান্তদের রিহ্যাব বা পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে বাসায় থাকা ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উদ্যোগ, উৎকন্ঠা বাড়ছে। কিভাবে ক্রিকেটারদের অনুশীলন ও ট্রেনিংয়ে ফেরানো যায় তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কিন্তু রাস্তা পেলেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় অনেক কিছুই বাদ দিতে হয়েছে এবং হচ্ছে। তবে বসে থাকলে তো হবে না।
যে কারণে বিসিবি’র প্রধান চিকিৎসক মেডিক্যাল বিভাগের প্রধান দেবাশিষ চৌধুরীর কাছে পরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। দৈনিক মানবজমিনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবাষিশ বলেন, ‘ক্রিকেটাররা এত দিন ধরে বাসায় বসে আছে তা অবশ্যই আমাদের চিন্তার কারণ। ক্রিকেটারদের ফিটনেস ধরে রাখা অবশ্যই চ্যালেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। কারণ পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। বিসিবি আমার কাছে পরিকল্পনা চেয়েছে। আমি ৩টা পরিকল্পনা তৈরি করেছি। সেগুলো জমা দেবো। তারা সিদ্ধান্ত নিবে কবে থেকে তা শুরু করতে পারবে।’
অন্যদিকে বিসিবি পরিকল্পনা চাইলেও নির্দিষ্ট করে জানায়নি তারা কবে থেকে ক্রিকেটারদের ট্রেনিং শুরু করতে চায়। এ নিয়ে দেবাশিষ চৌধুরী বলেন, ‘হ্যাঁ, পরিকল্পনা চেয়েছে। কিন্তু আমাকে বলা হয়নি কবে থেকে শুরু করবে। আমরা নিজেরাও জানি না এই পরিস্থিতিতে আমাদের কাজ শুরু করা সহজ হবে কি না।’  এছাড়াও বিসিবির চিকিৎসক জানিয়েছেন এই মুহূর্তে এক সঙ্গে অনেকের ট্রেনিং শুরু করাটা মোটেও বাস্তবসম্মত নয়। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এখন গ্রুপ ট্রেনিং কোনোভাবে সম্ভব নয়। আমি তিনটা পরিকল্পনা দিবো তার মধ্যে একটা হলো একক ট্রেনিং। সেখানে একজন ক্রিকেটার দিনে এক ঘণ্টা করে সময় পাবে। সেটিও তাকে একা একা করতে হবে। তাকেও খুব কম সংখ্যক স্টাফ সাহায্য করবে। এতে করে বেশি মানুষ না থাকায় ভয়ও কম থাকবে। ’
দেশে দিন দিন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। যখন ক্রিকেট স্থগিত করা হয়েছিল তখন দিনে হয়তো ৩ থেকে ৬ জন আক্রান্ত হতো। কিন্তু এখন প্রতিদিন  আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজারের কাছাকাছি। মারা যাচ্ছে ২০ থেকে ৪০ জন করে। এই হিসাব থেকে পরিস্থিতিকে ভয়াবহ না বলে উপায় নেই। এমন অবস্থায় অনেক ক্রিকেটারই বাসা থেকে বের হওয়াই বন্ধ করেছে। ছেড়ে মাঠে ফেরার চিন্তাও। এই বাস্তবতায় বিসিবির চিকিৎসকের শঙ্কাও অনেক বেশি। তিনি বলেন, ‘না, এখন আমরা ঝুঁকি নিতে পারি না। কারণ এখন তো আগের চেয়ে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমরা অফিস শুরু করতে পারিনি। ক্রিকেটারদের যতটুকু দেখভাল হচ্ছে অনলাইনে। সত্যি কথা বলতে কী ট্রেনিং বলেন আর রিহ্যাব কোনটাই অনলাইনে পরিপূর্ণ হয় না।  তবে এখন যদি গ্রুপ ট্রেনিং শুরু করতে যাই তাহলে অনেক লোক দরকার হবে। যেমন টিম বয়, সুইপার, ফিজিও, ট্রেনার। এত মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। তাই যদি একজন করে হয় সেই ক্ষেত্রে ভাবা যেতে পারে তাও কবে থেকে সেটি বলা মুশকিল।’
ক্রিকেটারদের করোনা ভাইরাসের টেস্ট নিয়ে হয়েছে আলোচনা। তবে টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হলেও সেটি হবে পরিস্থিতি সিরিজ বিবেচনায়। দেবাশিষ চৌধুরী বলেন, ‘এখনই কাউকে প্রয়োজন ছাড়া টেস্ট করা হবে না। তবে এটি নিশ্চিত সামনে কোনো সিরিজ হলে বা মাঠে খেলা ফিরলে আমরা প্রয়োজন অনুসারে  টেস্ট করাবো। ধরেন একটা সিরিজে যারা খেলতে যাবে। তাদের সঙ্গে থাকা কোচ থেকে শুরু করে সাপোর্ট স্টাফ সবাইকে টেস্ট করিয়ে একটা নিয়ম ও গণ্ডির মধ্যে রাখা হবে। এখন সবাইকে টেস্ট করিয়েতো লাভ হবে না।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর