× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার

মিঠামইনে সালিশে ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের ৪৯ দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে | ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, ৭:৫৪

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্ব মীমাংসায় আয়োজিত সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার ৪৯ দিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবাজুল (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার জাফরাবাদ ডাক্তারবাড়িতে অবস্থিত রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত সাবাজুল মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের মীর বাড়ির আনু মিয়ার ছেলে। গত ১৫ই এপ্রিল রাতে সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন সাবাজুল। এছাড়া সাবাজুলের আরো দুই ভাই মাহজুল (২৪) ও এবাদুল (২২) ও এ সময় ছুরিকাঘাতে আহত হয়। জানা যায়, ঘাগড়া মীরবাড়ি গ্রামের আনু মিয়া ও রেনু মিয়ার মধ্যে শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের সমাধানের জন্য গত ১৫ই এপ্রিল রাতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিশ বৈঠকের এক পর্যায়ে রেনু মিয়ার ছেলেরা আনু মিয়ার ছেলেদের উপর এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করলে তিন ভাই সাবাজুল, মাহজুল ও এবাদুল (২২) গুরুতর আহত হয়।
মুমুর্ষূ অবস্থায় সাবাজুল কে প্রথমে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সেখান থেকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে ঘাগড়া মীরবাড়ি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বাড়িতে আসার পর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে আহত হওয়ার ঘটনায় আনু মিয়ার ছেলে সাইফুল মিয়া বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিল।

মিঠামইন থানার ওসি মো. জাকির রব্বানী আহত সাবাজুলের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নজরুল ইসলামকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে পূর্বেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
জানা যায়, ঘটনার রাতে মীরবাড়ির লিয়াকত মীরের বাড়ির উঠানে আনু মিয়া ও রেনু মিয়ার মধ্যে সম্পত্তি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এলাকাবাসী মীমাংসার জন্য বসেছিল। বিষয়টি মীমাংসাও হয়। সালিশদারগণ প্রতিপক্ষ রেনু মিয়ার ছেলেদের আনু মিয়ার নিকট মাফ চাইতে বললে তারা মাফ না চেয়ে হঠাৎ ধারালো ছুরি দিয়ে আনু মিয়ার ছেলেদের উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর