× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার

পাবনায় পৃথক ঘটনায় তিনজন খুন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা থেকে | ৭ জুন ২০২০, রবিবার, ৭:৪৩

পাবনায় পৃথক ঘটনায় সদর উপজেলা থেকে দুই জন এবং ঈশ্বরদী থেকে এক যুবক সহ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদেও গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পাবনা সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নে পূর্বশত্রুতার জেড়ে একজনকে গুলি করে ও আতাইকুলা থানাধীন মধুপুর গ্রামে একজনকে  কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতরা হলো-সদর উপজেলার ভাড়ারা খাঁ পাড়া কালু খাঁর ছেলে হুকুম আলী খাঁ (৬৫), আতাইকুলা থানার মধুপুর পশ্চিমপাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে স্থানীয়য় আওয়ামীল নেতা মজনু মিয়া (৪০) ও ঈশ্বরদী উপজেলার রুপপুর জিগাতলার জহুরুল ইসলাম (৪০)। গত মধ্যরাতে এই সব খুনের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের ধারনা। ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ জানান, হুকুম আলীকে রাতে বাড়িতে গিয়ে ডাক দেন কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। এ সময় সে ঘর থেকে বের হওয়া মাত্র দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায় । এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহম্মেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি হুকুম আলীর নাতি রবিউল ইসলামকে মারধরের ঘটনায় গত ৪ জুন থানায় স্থানীয় ১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। সেই মামলার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপরদিকে, সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার মধুপুর গ্রামে মজনু মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আতাইকুলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম জানান, রাতে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে তাস খেলে বাড়ি ফিরছিলেন মজনু। পথিমধ্যে পেছন থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে ঘাড়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মজনু মিয়া।
এছাড়া গতকাল দুপুরে জেলার ঈশ্বরদীর রূপপুরের জিগাতলায়  জহুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কেবা কারা দুপুরের কোন এক সময় এ্যাম্বুলেন্সে করে তার নিজ বাড়ীতে লাশটি রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে। তার  গলায় ও শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের দাগ রয়েছে।
এইসব হত্যাকান্ডের পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানাতে নিয়ে আসে।  মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়। আর এইসব হত্যা কান্ডের বিষয়ে এখনো কোন মামলা দায়ের হয়নি। ঘটনার বিষয়ে ময়না তদন্ত চলছে স্ব-স্ব ঘটনা স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। কারা, কি কারণে তাকে হত্যা করেছে তা জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর