× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার

সড়ক নয় যেন বোরো ক্ষেত

এক্সক্লুসিভ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | ২৯ জুন ২০২০, সোমবার, ৮:১১

সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র মধুমতি লেকপাড়ে অবস্থিত সড়কটির সুনির্দিষ্ট কোনো নাম নেই। প্রায় শত কোটি টাকার প্যাকেজে ৮ বছর আগে নির্মিত সড়কটি সবাই লেকপাড় সড়ক নামে চেনে। অতি জনগুরুত্বপূর্ণ মধুমতি লেকপাড় সংলগ্ন সড়কটি এখন মানুষ চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গোপালগঞ্জ এনএসআই অফিস থেকে হরিদাসপুর পর্যন্ত ৮ হতে সাড়ে ৮ কিলোমিটার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন জেলার বিচারক ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ প্রশাসন রাজনীতিবিদ সামাজিক সাংস্কৃতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবগ হাঁটাহাঁটি করে থাকেন। ডায়াবেটিকসসহ নানান রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চলাচলে একমাত্র নিরাপদ সড়কটি বেশ কিছুদিন যাবত মানুষ চলাচলে একেবারেই অনুপযোগী হওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছে জেলার ভিআইপি ব্যক্তিবর্গ। সড়কটির পাশে অবস্থিত অতি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি শিশু পরিবার অফিস, এনএসআই অফিস, পাসপোর্ট অফিস, শিশু একাডেমি অফিস, পৌর পানির পাম্প, চেম্বার অব কমার্স অফিস, নির্বাচন অফিস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি গণগ্রন্থাগার অফিস, শিল্পকলা একাডেমি, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজ, সরকারি হাঁস-মুরগির খামার, শেখ কামাল স্টেডিয়াম, শেখ রাসেল পৌরপার্ক, বিসিক শিল্পনগরীসহ বেশকিছু অফিস রয়েছে। নামবিহীন জনগুরুত্বপূর্র্ণ সড়কটি কবে নাগাদ মানুষ চলাচলে উপযোগী হবে- জানতে চাইলে গোপালগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী অবিনাস বাবু বলেন, মানুষ চলাচলে অনুপযোগী সড়কটি মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে ৩০ কোটি টাকার একটি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। খুব দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ঊর্মি
২৯ জুন ২০২০, সোমবার, ৯:৩২

বিজ্ঞ সড়কমন্ত্রীর "কৃপাদৃষ্টির" সমুহ প্রয়োজন। উনার পরিচালিত মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ সড়কের ত এ করুণ দশা হতে পারে না। এর পেছনে কি ষড়যন্ত্র আছে কোনো?

অন্যান্য খবর