× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৯ আগস্ট ২০২০, রবিবার

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে দুই বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বাংলাদেশ

প্রথম পাতা

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৯:২৫

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দু’বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় ঢাকা। করোনার ধকল সামলে উঠতে বিশেষ ওই সুবিধা প্রদানে মার্কিন প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র মধ্যকার সোমবারের আলাপে গার্মেন্টসের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণভাবে আলোচনায় এসেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- দুই মন্ত্রীর ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ বাতিলের বিষয়টিও স্থান  পেয়েছে। ঢাকার তরফে এটা বলা হয়েছে যে, ক্রয়াদেশ বাতিলের কারণে গার্মেন্ট শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে  অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যারা বিপাকে পড়তে যাচ্ছেন তাদের বেশির ভাগই নারী। সরকারি বিজ্ঞপ্তি মতে, করোনার  প্রেক্ষাপটে  যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বিনিযোগের আহ্বানও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সেদেশের আইডিএফসি ফান্ডের আওতায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনতে চায় উল্লেখ করে ড. মোমেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জোনে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের অনুরোধ করেন।
বলেন, বাংলাদেশের হাইটেক পার্ক, তথ্য-প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল এবং বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের সহজ লভ্যতার কারণে এ দেশে  বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লাভজনক হবে। মার্কিন মন্ত্রী মাইক পম্পেও করোনা  মোকাবিলায় বাংলাদেশের জন্য ৪৩ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেয়ার প্রসঙ্গ টেনে  বৈশ্বিক ওই মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর (প্রত্যাবাসন) প্রক্রিয়ায়  যুক্তরাষ্ট্রের আরো বলিষ্ঠ অবস্থান কামনা করেন ড. মোমেন। বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে চুক্তির বাস্তবায়নে মিয়ানমার সময় ক্ষেপণ করছে। সমপ্রতি রাখাইন প্রদেশে মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা হিসেবে ৮২০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে।
মানবপাচার রোধ বিষয়ক মার্কিন রিপোর্টে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ধাপে উন্নয়নের প্রশংসা করেন মাইক পম্পেও। এ বিষয়ে ড. মোমেন যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।
যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করেন মন্ত্রী মোমেন। বলেন, তার দণ্ড কার্যকর করা আইনের শাসন নিশ্চিতে জরুরি। এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের একান্ত সহযোগিতা বিশেষ করে মাইক পম্পেওর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করে ঢাকা। সেগুনবাগিচা জানিয়েছে- মাইক পম্পেওর সঙ্গে আলাপে ড. মোমেন করোনা মহামারির বিস্তারিত তুলে ধরেন। বলেন, এটি সারা পৃথিবীকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় পৃথিবীর সকল দেশের পারস্পারিক অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। এ বিষয়ে পারস্পারিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা করেন মন্ত্রী  মোমেন। তারা উভয়েই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক  জোরদারের তাগিদ অনুভব করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর