× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২০, বুধবার

হংকং: চীনের নতুন নিরাপত্তা আইনের প্রথম প্রয়োগ, গ্রেপ্তার ৭

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৭:৩৫

হংকং বিষয়ক চীনের নিরাপত্তা আইন পাস হওয়ার পরপরই সেটির প্রয়োগ শুরু হয়েছে। বুধবার বৃটিশ শাসন থেকে হংকংয়ের মুক্তির ২৩ বছর উদযাপনে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীদের মধ্যে নতুন আইনটির আওতায় সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া, অন্যান্য আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রায় ২০০ জনকে। বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস। এ খবর দিয়েছে বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
খবরে বলা হয়, চীনের নতুন আইন অনুসারে, রাষ্ট্রদ্রোহ, পরাভব, সন্ত্রাসবাদসহ ও বিদেশি শক্তিদের সঙ্গে আঁতাত টার্গেট করা হয়েছে। মঙ্গলবার আইনটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে চীন। অধিকারকর্মীরা বলছে, এই আইন হংকংয়ের স্বাধীনতা হরণ করেছে।
উল্লেখ্য ১৯৯৭ সালে হংকংকে চীনের কাছে হস্তান্তর করে বৃটেন।
হস্তান্তরের শর্ত অনুসারে, ৫০ বছরের জন্য ‘এক দেশ, দুই নীতি’ চুক্তির আওতায় বেশখানিকটা স্বায়ত্ত্বশাসনের অধিকার রয়েছে হংকংয়ের। বুধবার ওই হস্তান্তরের ২৩ বছরপূর্তি উদযাপনে কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমাবেশ করে হাজার হাজার মানুষ। তাদের থামাতে জলকামান, মরিচের গুড়া ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ১৮০ জন সমাবেশকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে সাত জনকে নতুন আইনটির আওতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৮:৫১

বৃটেন ১৯৯৭ সালে হংকংকে চীনের কাছে হস্তান্তর করে তাদের স্বাধীনতার মূলে কুঠারাঘাত করেছে। ভারত উপমহাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশের স্বাধীনতা হরন করেছিলো বৃটেন। এখনো তারা হংকং বাসীর স্বাধীনতা স্বীকার করলোনা। চীনের কর্তৃত্ববাদী নীতি উপমহাদেশকে অস্থিতিশীল করছে। একটা জাতির সেন্টিমেন্ট বোঝার ক্ষমতা জাতিসংঘের নেই কী? জাতিসংঘ কার স্বার্থ রক্ষা করছে? স্বাধীনতাকামী মানুষের পক্ষে যদি জাতিসংঘ না থাকে তাহলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী? সকল জাতিরই স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার আছে। পেট ভরে ভাত খাইয়ে মুখে কচটেপ এঁটে মুখের ভাষা এবং মনের ভাব ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিলে কেউ তা মানাবেনা। বরং পরাধীনতার পেট ভরা ভাত ঘৃণায় বমি করে ফেলে দেবে। স্বাধীনতা প্রত্যেক মানুষের এমনই এক কাঙ্ক্ষিত বস্তু, যার সাথে পেট ভরে পোলাও বিরিয়ানি খাওয়া, দামী দামী পোশাক পরা ও অট্টালিকা সদৃশ ভবনে বসবাসের কোনো সম্পর্ক নেই। ভোগ বিলাসিতায় ডুবে না থেকেও, দরিদ্রতার মাঝে বসবাস করতেও, মুখফুটে মনের কথা বলতে ও চলাচলের স্বাধীনতা ও মুক্তবাধাহীন মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত। এই অধিকার মানুষের রক্তে মাংসে, অস্থিমজ্জায় মিশে আছে। সেজন্যই স্বাধীনতাকামী কোনো জাতিকে পৃথিবীর কোনো কর্তৃত্ববাদী স্বৈরশাসক কোনো কালে দমন করতে পারেনি। আজ হোক কাল হোক স্বাধীনতাকামীদের স্বাধীনতা দিতেই হবে। তবে সাগরসম রক্ত না ঝরিয়ে ও বহু লোকের প্রাণ কেড়ে না নিয়ে স্বাধীনতা দিলে সেটার সৌন্দর্যের ছটায় সৌহার্দ ও ভাতৃত্বের বন্ধন চির অটুট থাকবে। তাই প্রাণ ও সম্পদের ক্ষতি এড়িয়ে স্বাধীনতা দিয়ে দেয়া উচিত। আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি মনে পড়লে এখনো শরীর শিউরে ওঠে। তাই পৃথিবীর কোনো জাতি পরাধীনতার জাঁতাকলে পিষ্ঠ হচ্ছে দেখলে মনে বড়ো কষ্ট পাই।

অন্যান্য খবর