× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২০, বুধবার

পলিটেকনিকে কমছে ভর্তির যোগ্যতা, থাকছে না বসয়সীমা

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার | ১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৭:৪৩

দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত একবার ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা ও ফি কমানোর সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়নে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

ডা. দীপু মনি বলেন, অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরী দক্ষতা আছে। কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নাই এবং সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে।

একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১০৯০ টাকা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।

তাছাড়া মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে এই মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদ, কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md Ruhul Amin
২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১২:০১

সরকারের এটি ভাল সিদ্ধান্ত মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী কে ধন্যবাদ যাদের চুলকানি আছে তাদের গা জলবে ওদের দিকে না তাকিয়ে যথাশীঘ্র এটি বাস্তবায়ন করা দরকার তবেই দেশ ও জাতির মঙ্গল বয়ে আনবে

মোঃ মনসুর আহমদ
২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:২৬

এখন বুঝা গেল যে চৌকুস বৃদ্ধিমত্তার লোক আছে তবে বয়স বাড়ানো উচিত চাকরি ক্ষেত্রে সবার উপকারে আসবে

Shakib al hasan
২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৫৬

আমরা এই দাবি মানবো না ইন্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হতে হলে 4 থাকতে হবে 4এর নিচে ভর্তি করা যাবে না কারীগরি শিক্ষার মান বাড়াতে হবে বয়স সীমা দিতে হবে আমরা সরকার এর কাছে চাইব যেনো বয়স সীমা দেওয়া হয় আর উপরোক্ত নিয়ম টা মানা হয় কারিগর শিক্ষা দেশ কে উন্নত করে আর এখন যেটা করা হচ্ছে দেশ ধংস হয়ে যাবে ইন্জিনিয়ার দের কোনো মূল্য থাকবে না

Mohammed Alam
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১২:৫৬

Thanks our honorable minister....for the creative decesssion.,,,helpful the nation create many many technical hands.should be design the course absolutely free

Mohammed kamal Uddin
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১২:০৫

Good decision honourable minister

জামশেদ পাটোয়ারী
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১১:৪৫

খুবই ভালো একটি সিদ্ধান্ত। এস এস সি তে জিপিএ তিনের নীচে পাওয়া ছেলে মেয়েদের জন্য এটা খুবই ভালো একটি সিদ্ধান্ত। পাশাপাশি কারিগরিতে শিক্ষার মানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাতে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে পাওয়া এই সার্টিফিকেটগুলো যেন হাসির খোরাকে পরিণত না হয়। এবং এই সিদ্ধান্তের ফলে বিপুল সংখ্যক ছেলে মেয়ে কারিগরি শিক্ষার দিকে ঝুকবে। দেশের প্রতিটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবা নৈশ ৩/৪ শিপ্ট চালু করে হলেও এই সুযোগ প্রসারিত করতে হবে। এবং তাতেই দেশে দক্ষ শ্রমিক সৃষ্টি হবে। বিদেশে অদক্ষ শ্রমিকের চেয়ে দক্ষ শ্রমিকের দাম অনেক বেশী এবং এর চাহিদাও বেশী।

Noor Alam
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১০:১৮

It's a good decision. In USA no age limit in education... Bravo education Minister....

Fohammed Faiz Ahmed
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৯:৪৬

ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত, এটি কারিগরি শিক্ষায় ধস নামবে কয়েক বছর পর, পলিটেকনিকগোলো আগের আমলের টাইপিস্টের সেন্টারের মত হয়ে যাবে এবং পলিটেকনিকগোলোর ব্যবসা রমরমা হবে , একটা সময় এসব ইঞ্জিনিয়ারগন হাঁসির পাত্র হবে, কারিগরি শিক্ষাকে সময় উপযোগী করতে হলে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক জিপিএ ৪.০ নিছে হলে ভর্তি হতে পারবেনা এমন আইন করা উচিৎ। তাহলে দেশের উন্নতি হবে। এছাড়া কাজ হবে না।

Parbez
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৬:৫৬

our Policy makers need to understand lifelong learning. You cannot put a age limit to training courses and education whether it is vocational or academic. One can enrol on educational courses at any age, at any given time in their career or life. Thats what people do around the world, its a normal thing to do. Bangladesh must be the only abnormal country and thats why we continue to be failiure in world education rankings etc.

Parbez
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৬:৫১

How bankrupt our education system is??? where in the world do you have a age limit to enrol on a course in a polytechnic or university? only in our beloved country Bangladesh such stupidity is possible. For over a decade it has not been changed, thats what you get when you have a unelected government like the current regime.

অন্যান্য খবর