× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার

টিসিবির পণ্য কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে নবীগঞ্জের যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বাংলারজমিন

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি | ১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১০:২০

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় একটি গুদাম থেকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ন্যায্য মূল্যের বিপুল পরিমাণের পণ্যের মোড়ক অবৈধভাবে পরিবর্তন করে কালোবাজারে বিক্রি করার অভিযোগে প্রধান আসামি নবীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ নেতা নোমান হোসেন (৩৫) কে আড়াই মাস পর জগন্নাথপুর থানা পুলিশ আজ বুধবার গ্রেফতার করেছে।
জগন্নাথপুর থানা পুলিশ জানায়, গত ১৬ এপ্রিল জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের আলীপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে নোমান হোসেন এর গুদাম থেকে স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালিয়ে টিসিবির বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করে। এসময় গুদাম মালিক নোমান হোসেন পালিয়ে যায়। তাঁর বাড়ি জগন্নাথপুরের শেষ সীমান্তে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জের লালাপুর গ্রামে। বাবার নাম হেলিম উদ্দিনের ছেলে। প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নোমান হোসেন আলীপুর বাজারে টিসিবির পণ্য মজুত করে অসৎ উদেশ্যে মোড়ক পরিবর্তন করে কালোবাজারে বিক্রির জন্য রেখেছিলেন। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.ইয়াসির আরাফাত ও জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী নেতৃত্বে একদল পুলিশ আলীপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে টিসিবির মোড়ক পরিবর্তনের প্রমাণ পান। গুদামের কর্মচারীর স্বীকারোক্তি অনুসারে টিসিবির ৪৯ কার্টন পুষ্টি ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল এবং ৫০ কেজি ওজনের ৭৩ বস্তা চিনি জব্দ করা হয। নবীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা জানান, স্থানীয় যুবলীগে নোমান হোসেনের কোনো পদ নেই।
তবে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে তিনি সক্রিয়ভানে যুক্ত আছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার উপ পরিদর্শক এস আই রাজিব রহমান জানান,গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে বুধবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘টিসিবির পণ্য জব্দ করার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে এবং জব্দকৃত মালামাল নিলামে বিক্রি করা হয়। মামলার প্রধান আসামি নোমান কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর