× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার

ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য সচিব

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:০৭

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য সচিব মো. আব্দুল মান্নান। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন তিনি। পরিদর্শন শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের বলেন, কোভিড রোগীরা কেমন আছে? শুরু থেকে কতজন ছিল? কতজন কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য চিকিৎসক কতজন উপস্থিত আছে? সেটা জানার চেষ্টা করেছি। নার্স কতজন আছে সেটা জানার চেষ্টা করেছি। প্যাথলজিষ্ট কতজন আছে? চতুর্থ শ্রেণির কতজন আছে? আনসার সদস্যরা কতজন আছে? সমস্ত তথ্যগুলো সরজমিনে দেখতে এসেছি।

সচিব বলেন, কতজন ডাক্তার কোভিড ইউনিটে রোগীদের টেককেয়ার করছে। মেডিকেল অফিসার থেকে শুরু করে অধ্যাপক পর্যন্ত প্রত্যেকের পরিসংখ্যান আমি নিয়েছি। কোভিড রোগী ভর্তি হওয়ার পর তাদের অবস্থা কি হয়? এটা জানা খুব দরকার।

এক প্রশ্নের জবাবে ২০ কোটি টাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা এমন না। আপনারা বলতে পারছে না যে অনিয়ম।
এটা বড় কিছু না। এটা আমরা দেখছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকে একটা নির্দেশনা দিয়েছে। এই পেমেন্টা দেয়ার আগে খতিয়ে দেখবে। আমরা একটা প্রতিবেদন চেয়েছি পরিচালকের কাছে। লিখিত রিপোর্ট চেয়েছি। ওভারওল একটা প্রতিবেদন তিনি দেবেন। দেয়ার পরই আমরা দেখব, কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা?

কোভিড-১৯ পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, এটাকি খুব বেশি? ২০০ টাকা মিনিমাম একটা বিষয়। অনেকেই একটু কাশি দিলেই হাসপাতালে আসে পরীক্ষা করতে। এটা যেন না হয়।

অনেক ডাক্তার হোটেলের করিডোরে থাকছে এই জবাবে তিনি বলেন, এটা ভিত্তিহীন কথা। এটার কোন সুযোগ নাই। ডাক্তারদের সঙ্গে সরকার আছে। তাদের থাকা খাওয়াসহ কোন বিষয়ে যেন সমস্যা না হয় সেগুলো আমরা দেখছি। করিডোরে থাকার প্রশ্ন আসে না। যদি কোন চিকিৎসককে হোটেলে না রাখতে পারি। তাহলে যে ডরমিটরিগুলো আছে বিকল্প হিসেবে সেগুলো ব্যবহার করতে বলছি। তাতে সরকারের কিছু সাশ্রয় হবে।

কোন জায়গাতেই শতভাগ কিছু করা যাচ্ছে না। তবু আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবুও আমরা যার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব ন্যুনতম কাজ করতে হবে।  কারও বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা না নিতে হয়। আমরা এই দেশকে ভালবাসি। মানুষকে ভালবাসি। যারা কথা বলছে, সমলোচনা করছে। তারা কিন্তু কাজ করতে আসবে না। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সাপোর্ট দেয়ার দরকার আমরা দিচ্ছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর