× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার

ভালুকায় ৮ মাস ধরে সড়ক কেটে রাখায় জনদুর্ভোগ

বাংলারজমিন

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি | ২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:৪৩

 ভালুকা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের একটি জন গুরুত্বপূর্ণ টিঅ্যান্ডটি সড়কটির মাঝখান দিয়ে খনন করে আরসিসি ড্রেন করার নামে রাস্তা কেটে রেখে আংশিক কাজ করে ফেলে রাখায় স্থানীয় জন সাধারণ ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এ নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো মাথাব্যথা নেই। ইতিমধ্যেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বেশ ক’বার চলতি বিল উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন। সূত্রে জানা যায়, ভালুকা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের মাত্র পাঁচশ’ ৫০ মিটার রিজেক্ট পেভমেন্ট (ঢালাই রাস্তা) ও একহাজার, ৩শ’ ৯৫ মিটার আরসিসি ড্রেনের কাজের জন্য মিউনিসিপ্যাল গভর্নেন্স অ্যান্ড সার্ভিসেস প্রজেক্টের আওতায় অর্থায়ন করছেন বাংলদেশ সরকার ও আইডিএ। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধারা হয় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৮২ হাজার ১শ’ ১০ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মহিবুল হক গত ১৯শে মার্চ ২০১৯ ইং সালে কাজ শুরু করেন। কাজটি দুইভাগে বিভক্ত প্রথম অংশ ভালুকা- বিরুনিয়া সড়কের ৫শ’ ৫০ মিটার রিজেক্ট পেভমেন্ট রাস্তার সঙ্গে ৩শ’ ৮০ মিটার ড্রেন ও দ্বিতীয় অংশ বিরুনিয়া সড়ক থেকে মেজর ভিটা আঁখিকুঞ্জ পর্যন্ত টিএন্ডটি রোডের ১ হাজার, ২৫ মিটার ড্রেনের কাজ রয়েছে, কাজের মেয়াদ ছিল একবছর। সরজমিন দেখা যায়, ভালুকা-বিরুনিয়া সড়কের বেশ কয়েক জায়গায় এখনো ড্রেনের কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে।
এ ছাড়াও আট মাস আগে টিঅ্যান্ডটি রোডে ড্রেনের কাজ শুরু করেও অর্ধেক কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। রাস্তার মাঝখান দিয়ে খনন করায় গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি বর্তমানে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে রাস্তার আশপাশে বসবাসকারী পৌরবাসী যাতায়াতে চরম জন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বেশক’বার চলতি বিল উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন। তাই ঠিকাদারের এ কাজ নিয়ে তেমন কোনো মাথাব্যথা নেই। সম্প্রতি ভালুকা-গফরগাঁও সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় বাসস্ট্যান্ড শিমুলতলায় অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি হয়ে যায়। রাস্তার একপাশ ঢালাই করায় অপর অংশ দিয়ে বাস, ট্রাক, সিএনজিসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল করায় সারাদিন যানজট লেগেই থাকে। বিকল্প রাস্তা হিসেবে টিঅ্যান্ডটি রোডটি ব্যবহার করা যেতো। সেটাও বন্ধ রয়েছে। গত কোরবানি ঈদের সপ্তাহ খানেক পূর্বে এ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঈদের ঘরমুখো মানুষের কথা চিন্তা করে ভালুকা- বিরুনিয়া সড়কটি পুরোটা বন্ধ করে রাস্তায় ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেন। কাজের মেয়াদ ছিল চলতি বছরের মার্চের ১৯ তারিখ পর্যন্ত। প্রথম দফায় মেয়র ৭৩ দিন বাড়ানোর পর করোনার অযুহাতে বিশ্বব্যাংক চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, পিচ করা রাস্তা কেটে ড্রেন করা হচ্ছে ৮টি মাস যাবত এ এলাকার মানুষকে চরম কষ্ট দিচ্ছে। পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরের পুরো দায়িত্ব রয়েছে মানুষের কষ্ট লাঘব করা। পরস্পর  শোনা যাচ্ছে, এ কাজে সরিষাতেই ভূত রয়েছে। ঠিকাদার শাহজাদা হোসেন জানান, করোনার কারণে শ্রমিকরা চলে যাওয়ায় কাজ বন্ধ ছিল। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিও করোনা কারণে নিজ নিজ দেশে চলে গেছেন। এ পর্যন্ত কত টাকা চলতি বিল নিয়েছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার স্থানীয় প্রতিনিধি মিল্টন বলতে পারবেন রানিং বিল এ পর্যন্ত কত টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ভালুকা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামান তালুকদার জানান, করোনার কারণে রাস্তার কাজ বন্ধ ছিল এখন কাজ করছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর