× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার

করোনার মধ্যেই রিজার্ভ ও রেমিটেন্সে রেকর্ড

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:২৯

করোনা ভাইরাসের মহামারির মধ্যেই দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ দুটি সূচকে রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে দেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। একইসঙ্গে এক মাসে ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেকর্ড রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।  বৃহস্পতিবার এই প্রথম এক সঙ্গে দুই সূচকে রেকর্ড সৃষ্টি হলো। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়নি। আর এক মাসে এত বেশি রেমিটেন্সও কখনও আসেনি। এর আগে এক মাসে ১৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল গত বছরের জুন মাসে রোজার ঈদকে সামনে রেখে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, ৩০শে জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট ১ হাজার ৮২০ কোটি ৩০ লাখ (১৮.২০ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। এই অঙ্ক আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ১০.৮৫ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট ১৬.৪২ বিলিয়ন রেমিটেন্স এসেছিল।
করোনাকালেও রেমিটেন্সের এই উল্লম্ফনের কারণে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে বলে জানান ছাইদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার। বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ও এআইআইবির ঋণ সহায়তাও রিজার্ভ বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে বলে জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪শে জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তার তিন সপ্তাহ আগে ৩রা জুন এই রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। ২০১৯ সালের ৩০শে জুন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২.৭২ বিলিয়ন ডলার।

করোনা ভাইরাস মহামারিতে আমদানি ও রপ্তানি তলানিতে নেমে এলেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স বাড়ছিলই। আর এই রেমিটেন্সের উপর ভর করে রিজার্ভে একটার পর একটা রেকর্ড হচ্ছিল। ২৮শে জুন এক হাজার ৮০০ কোটি (১৮ বিলিয়ন) ডলার ছাড়ায় রেমিটেন্স। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক অর্থবছরে এত রেমিটেন্স আসেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পুরো সময়ে ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করছেন, বিশ্বজুড়ে মহামারী চলায় রেমিটেন্সে তার প্রভাব না পড়ার জন্য হুন্ডি বন্ধ হওয়া অন্যতম কারণ। এছাড়া প্রণোদনা থাকায় প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাচ্ছেন। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিভিন্ন দেশে থাকা ১ কোটিরও বেশি বাংলাদেশির পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স। দেশের জিডিপিতে এই রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো।

এবার করোনা ভাইরাস মহামারিতে মার্চ থেকে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ওলটপালট হয়ে যাওয়ায় রেমিটেন্সও কমে গিয়েছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে রেমিটেন্সে ঊর্ধগতির ধারা চলছে। রেমিটেন্সের গতি ধরে রাখতে গত অর্থ বছরে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল সরকার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Masum
২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:৩২

Very good news during this pandemi. Very less import may be a reason. Greatful to the expats for their hard earned dollars that is helping the economy during this difficult time. We can learna lesson from this pandemic situation that we can live by spending less , importing less , living simple live by avoiding luxury.

Mohammed Musa
২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৫

বাহ্ বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সব চাইতে ধনী দেশ বলে মনে হচ্ছে।এত এত টাকা পৃথিবীর অন্য কোন দেশের আছে বলে মনে হয় না। থাকলেও তারা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে জানান দেয় না বলেই আমরা জানতে পারিনা। গত কয়েক বছর আগে কতশত কোটি টাকা ফিলিপাইনের আর সি বি সির মাধ্যমে লুটে নিল তারপর কেন বাংলাদেশ রিজার্ভের টাকা নিয়ে ঢাক-ঢোল পেটানো বন্ধ করেনা তা আমার এই ক্ষুদ্র জ্ঞানে বুঝতে পারিনা। কে না জানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তার প্রমান তো রয়েই গেছে। যদিও টাকার অংকটা শুধু কাগজে কিন্তু এর আরো খারাপ কতগুলো দিক আছে।যেমন বিভিন্ন দেশে শুল্ক বিহীন অথবা কম শুল্কে রপ্তনির সুযোগ হাত ছাড়া হতে পারে। দাতা দেশ গুলো বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যে সব সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে এমন সব সুযোগ গুলোও প্রতিবনধকতায় পরতে পারে। আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্র সক্রিয় হতে পারে। পৃথিবীতে টাকা কার নাই। কমবেশী সকলেরই আছে। জানান দিয়ে কেউ শত্রু ডেকে আনেনা। যেসব দেশে বাংলাদেশী শ্রমিক ভাইয়েরা কাজের জন্য যায় সেটা শুধু যে দক্ষতার কারনেই যেতে পারে তা শুধু নয়, যে দেশ বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয় সেখানে ঐ সব দেশের বাংলাদেশের প্রতি সহানুভূতি না থাকলে সম্ভব নয় ।বাংলাদেশ গরীব দেশ বলেই অনেক দেশ সহানুভূতির হাতটি বাড়িয়ে দেয়। তা না হলে দক্ষিন পূর্ব এশিয়ায় আরো অনেক দেশ আছে যেখান থেকে শ্রমিক নিতে পারে। চাইলে আফ্রিকা থেকেও নিতে পারে। যাই হোক , হঠাত টাকার মালিক হলে কিছু লোক সমাজে যেমন ধরাক সরাজ্ঞান করে আমরা রাষ্ট্রীয় যেন তেমন ভাব পেরকাশ না করি যাতে সচেতন নাগরিক হিসাবে লজ্জায় পরতে না হয় । আসুন রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার তালিকায় এমন সব গোপন তথ্য জুড়ে দেই যা কেউ কোনদিন জানতে না পারে। তথ্য কমিশনে নিশ্চয়ই কোন বিদেশী নাগরিক নেই যে কিনা অবাধ তথ্য সরবরাহের অযুহাত তুলে কাউকে কাঠগড়ায় দাড় করাবে- নিশ্চয়ই না।

Islam
২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:১০

stupid lie

azam faruque
২ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৪০

old dollars picture this already withdraw from market, this news how many years old ??? do not cheat with public i am still staying in saudi arabia and suffering present worst situation. saudi arabia is big labour market and maximum remittance going from k.s.a. and other middle east country. last five month almost remittance fighters are bare hand no job if job no salary and business are closed how and where go such record remittance go to bangaldesh ??? from Europe , or america ??? it is incredible don't say lie more public are not blind

অন্যান্য খবর