× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার

করোনা মোকাবেলায় আ স ম রবের ৬ প্রস্তাব

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৫:০১

সরকারের অদক্ষতায় বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে ‘ঝুঁকিপূর্ণ দেশ' হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। করোনা নিয়ন্ত্রণের নামে সরকার যে কাণ্ডজ্ঞানহীন এবং দায়িত্বহীন আচরণ করেছে ও করছে তার ফলশ্রুতিতে ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ অনেক দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে সারা বিশ্ব থেকে বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে, যার পরিণতি হবে ভয়াবহ হবে। এর দায় সরকারকেই বহন করতে হবে উল্লেখ করে ৬ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জে এস ডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

আ স ম রব বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে সরকার শুরু থেকেই ভুলের পর ভুল করে আসছে। প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেশ ভ্রমণের সময় যথাযথ কোয়ারেন্টিন করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়া, লকডাউনের পরিবর্তে ছুটি ঘোষণা করা, গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাজে যোগদান এবং ফেরত পাঠানো নিয়ে নাটকীয়তা, শুরুতে মাত্র একটি কেন্দ্রে করোনা পরীক্ষা সীমাবদ্ধ রাখার অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত, রমজানের ঈদে ঢাকা ছাড়ার প্রশ্নে নানাবিদ সিদ্ধান্ত, লকডাউন বাস্তবায়নে সিদ্ধান্তহীনতা, সীমিত পর্যায়ে পরিবহন চালাতে গিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখায় ব্যর্থতা এবং সবশেষে জোন চিহ্নিতকরণের নামে লাল-সবুজ-হলুদ নাটক মঞ্চায়নের ফাঁকা ঘোষণা দেশব্যাপী করোনা বিস্তারে সহায়তা এবং করোনা সংকট মোকাবেলা জটিলতর করেছে।

তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ উপর্যুপরি উপেক্ষা, করোনা পরীক্ষায় ফি নির্ধারণ, চিকিৎসকদের জন্য নিম্নমানের সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয় এবং বিতরণ, হাসপাতালসমূহে করোনা ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা, রিজেন্টের ন্যায় লাইসেন্সবিহীন ভূয়া প্রতিষ্ঠানকে করোনা পরীক্ষার অনুমতি দেয়া, স্বাস্থ্যসহ সকলখাতে সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাট, লণ্ডভণ্ড স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং সর্বোপরি টেস্টবিহীন করোনা পরীক্ষার ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান বাংলাদেশকে আজ ‘ঝুঁকিপূর্ণ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
এহেন পরিস্থিতিতে সরকারের শুভ চেতনার উদয় হওয়া উচিত।

জেএসডি সভাপতি বলেন, দেশ ও জাতির স্বার্থে অবিলম্বে বিবেচনার জন্য সরকারের নিকট ৬ দফা প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হলো-

(১) জাতীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিল (National Health Council - NHC) গঠন করা
(২) করোনা নিয়ন্ত্রণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো ব্যবস্থা গ্রহন করা
(৩) করোনা পরীক্ষার ফি প্রথার বাতিল করা
(৪) করোনা পরীক্ষা সংখ্যা বাড়ানোর জন্য উপজেলা পর্যায়ে ল্যাব স্থাপন করা
(৫) সারাদেশব্যাপী সক্রিয়ভাবে করোনা রুগী শনাক্ত করে আইসোলেশন ও চিকিৎসা, কন্টাক্ট ট্রেসিং এবং কোয়ারেন্টাইনসহ করোনা প্রতিরোধের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা
(৬) টেস্টবিহীন করোনা পরীক্ষার ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা।

আ স ম রব আশা প্রকাশ করে বলেন, এইসব ব্যবস্থা গ্রহণ করে জরুরি ভিত্তিতে দেশ ও জাতিকে ‘ঝুকিপূর্ণ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার অপবাদ থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Shamsul Hoque
১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, ৯:০২

This may be considered a good proposal.

রিপন
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ১১:১০

বলুন তা দেখি কে বধির? দু'জন লোকের বাতচিত শুনে বলতে হবে কে বধির, মানে কে কানে শোনে না। ১ম জন, বাজারের ব্যাগ হাতে হনহন করে হেঁটে চলা দ্বিতীয় জনকে, "কী ভাই, এই সাত সকালে কোথায় চললেন? বাজারে বুঝি?" দ্বিতীয় জন বিব্রতভাবে, "না না না, কী যে বলেন মশাই; - এ...ই... একটু বাজারে যাচ্ছি আর কি, যা লক ডাউন চলছে, হাঁড়িতে মা ভবানী! চুলোতে বিলাই। পকেটে গড়ের মাঠ। দেখি খুদ কুঁড়ো কচু ঘেঁচু কিছু খুঁজে পেতে বাকিতে জোগাড় কত্তে পারি কিনা, চাট্টে ডাল ভাত যে খেতে হয়, বুঝতেই পারছেন। হেঁ... হেঁ.... হেঁ...." দ্বিতীয়জন বুকচেরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "ও... তাই বলুন...! আমি ভেবেছিলেম, আপনি বুঝি বাজারে যাচ্ছেন।" আমাদের মানুষদের ছ' দফা, আর কানে দিয়েছি তুলো, পিঠে বেঁধেছি কুলো টাইপের নীরবতা - এই উভয়বিধ ব্যামোর সাথে সকলেই সম্যক পরিচিত কমবেশি। বলুন তো দেখি এই দুই পক্ষের মাঝে কে বেশি বুদ্ধিমান?

Md Maksud
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৮:৪৬

I agree with national leader.

Manilal debnath
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৫:১৪

সুন্দর মতামত।অতি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে,উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে যারা সরকারি চাকরি করছেন,স্বাস্হ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয় তাদের ফাইল নথিপত্র নন-মেডিকেল কর্মচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ করেন। কিন্তু যারা এই পদে চাকুরী করেন সবার বেকগ্রাউন্ড হচ্ছে সাইন্স। উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা ৩ বছর মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং কোর্স করে ১ বছর ইন্টার্নি শেষ করে, উক্ত পদে চাকুরীতে যোগদান করেন।আর মেডিকেল টেকনোলজিস্টগন ৩বছর মেডিকেল সায়েন্স এর উপর পড়াশোনা শেষে সরকারি চাকুরি তে যোগদান করেন। তাহলে তারা কিভাবে নন-মেডিকেল কর্মচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ হন। কর্মচারী ঠিক আছে, কিন্তু মেডিকেল কর্মচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ করতে পারে।তাই আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি যেন এযৌক্তিক ব্যাপার টা স্বাস্হ্য অধিদপ্তর সমাধান করেন। ধন্যবাদ আপনাকে

অন্যান্য খবর