× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজিকে শোকজ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৭:৪৯

করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আজ রোববার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে সুস্পস্ট ব্যাখ্যা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রদান করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, কোনো হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তির পূর্বে তা সরজমিনে পরিদর্শন, হাসপাতাল পরিচালনার অনুমতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, জনবল ও ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে উপযুক্ততা বিবেচিত হলেই কোভিড পরীক্ষা/চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চুক্তি সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তির পূর্বে কী কী বিষয় বিবেচনা করা হয়েছিল, চুক্তি করার পর উদ্ধৃত শর্তসমূহ প্রতিপালনে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা বলতে কী বোঝানো হয়েছে তার সুস্পস্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে করোনা চিকিৎসার জন্য রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে অধিদপ্তর।

এদিকে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে অভিযোগের পর হাসপাতালটির কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম এখনো পলাতক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Manilal debnath
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ১১:১০

স্বাস্হ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্যার এর একলা চলা নীতি ই ওনাকে হেয় করবে।তা নাহলে মেডিকেল কর্মচারী কে কিভাবে নন-মেডিকেল কর্মচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ করেন।অতি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে,উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে যারা সরকারি চাকরি করছেন,স্বাস্হ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয় তাদের ফাইল নথিপত্র নন-মেডিকেল কর্মচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ করেন। কিন্তু যারা এই পদে চাকুরী করেন সবার বেকগ্রাউন্ড হচ্ছে সাইন্স। উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা ৩ বছর মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং কোর্স করে ১ বছর ইন্টার্নি শেষ করে, উক্ত পদে চাকুরীতে যোগদান করেন।আর মেডিকেল টেকনোলজিস্টগন ৩বছর মেডিকেল সায়েন্স এর উপর পড়াশোনা শেষে সরকারি চাকুরি তে যোগদান করেন। তাহলে তারা কিভাবে নন-মেডিকেল কর্মচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ হন। কর্মচারী ঠিক আছে, কিন্তু মেডিকেল কর্মচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ করতে পারে।তাই আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি যেন এযৌক্তিক ব্যাপার টা স্বাস্হ্য অধিদপ্তর সমাধান করেন। ধন্যবাদ আপনাকে

Sujan Muzumdar
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ১১:০৮

Corruption boro must check how mach money does the DG of health administration have. I think he has lots of money and his wife too.

মোহাম্মদ রহিম উদ্দিন
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৯:৩৫

অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হোক

মোহাম্মদ রহিম উদ্দিন
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৯:৩৪

জুতার মালা পরিয়ে দেওয়া হোক

Mazed
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৯:২৪

জনাব মুখ খুলুন নইলে আপনার উপর দিয়ে সাইক্লোন টা যাবে মনে হচ্ছে ।

Kazi
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৮:২৮

Eye wash. Government never take action against corruption. So it spreaded from top to bottom, rural people to educated and even in government itself.

Zahedul
১২ জুলাই ২০২০, রবিবার, ৭:২২

ওর হাত গনভবন পর্যন্ত লম্বা

অন্যান্য খবর