× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার

চলনবিলে ২৩ হাজার ১৬৬ টি কোরবানির পশু প্রস্তুত

বাংলারজমিন

চলনবিল (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি | ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৭:৪০

আর মাত্র ২ সপ্তাহ পরে পবিত্র ঈদুল আজহা। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হলেও করোনাভাইরাসের কারণে গরু বিক্রি নিয়ে চিন্তিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশের গরু খামারি ও ব্যবসায়ীরা। উপজেলার দেশি গরুর উৎপাদন ও চাহিদা বাড়লেও তা বিক্রি নিয়ে রয়েছে সংশয়।
চলনবিলের মধ্যস্থলে অবস্থিত তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানায়, এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ উপজেলায় ২৩ হাজার ১৬৬টি পশু প্রস্তুত আছে। যার মধ্যে ৯ হাজার ৫০০ টি গরু, ১২ হাজার ৭০০টি ছাগল, ভেড়া ৯ শত ৩৯টি ও ২৭টি মহিষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।  উপজেলায় বড় পশুর হাট রয়েছে ৬টি। এসব হাট ছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরো ছোট ছোট হাট-বাজারে বিক্রির জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার গরু ছাগল নিয়ে যাচ্ছেন খামারিরা। কিন্তু কেনাবেচা একদম কম। বাইরের ব্যবসায়ীদেরও দেখা মিলছে না। উপজেলার তালম ইউনিয়নের চৌড়া গ্রামের গরুর খামারি ফরহাদ বলেন, বাড়িতে আমার ১০টি গরু রয়েছে।
যা তিনি সারা বছর লালন-পালন করে বড় করেছেন এই ঈদে বিক্রির জন্য। করোনাভাইরাসের কারণে তিনি সংশয়ে আছেন গরু বিক্রি নিয়ে। ঈদের আর মাত্র ১৩ থেকে ১৪ দিন বাকি অথচ তিনি এখনও একটি গরুও বিক্রি করতে পারেননি।  অনলাইন শপিং সম্পর্কে  কোনো ধারণাই নাই তার।
বিনসাড়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী মো. হাসান আলী বলেন, অন্য বছরগুলোতে এ সময়ে রাজধানী ঢাকাতে তার গরু ব্যবসা জমজমাট ছিল। কিনু্ত এ বছরে মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এখন পর্যন্ত ঢাকাতে গরু নিয়ে যেতেই পারেননি। বর্তমান এই করোনা পরিস্থিতির কারণে গরু পালনকারী, ব্যবসায়ী ও খামারিরা যাতে তাদের ব্যবসা পরিচালনা ভালোভাবে করতে পারেন সেজন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পাদক কর্মকর্তা ডা. এজেএম সালাহ উদ্দিন বলেন, আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে  রেখে ২৩ হাজার ১৬৬ টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। যা উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে আশপাশের জেলাগুলোর চাহিদা মিটাতে পারবে। তিনি আরো জানান, এবার করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে যাতে মানুষ ঘরে বসে কোরবানির পশু ক্রয়- বিক্রয় করতে পারেন সেজন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি অনলাইন খোলা হয়েছে। সেখানে পশুর ছবি ও মালিকের মোবাইল নম্বর থাকবে ক্রেতাসাধারণ ছবি দেখে পশুর মালিকের সঙ্গে কথা বলে দাম ঠিক করে তা ক্রয় করতে পারবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর