× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৯ আগস্ট ২০২০, রবিবার

চুকনগর বাজারে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই

বাংলারজমিন

সুমন ব্রহ্ম, ডুমুরিয়া (খুলনা) থেকে | ১৪ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার, ৭:৪২

ডুমুরিয়া উপজেলার করোনাভাইরাস ছড়ানোর হট স্পট হতে পারে চুকনগর বাজারের রেণু পোনার বাজার। এই চুকনগর বাজারটি যশোর, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার মিলনস্থল। যে কারণে এই বাজারটিকে ট্রানজিট পয়েন্টও বলা হয়। কিন্তু সারা দেশে করোনাভাইরাসের আক্রমণ রোধকল্পে সরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিলেও কিছুতেই মানছে না চিংড়িপোনা বিক্রেতা সেট মালিক ও ক্রেতারা। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বশেষ একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে গত ৮ই জুলাই। যেখানে উল্লেখ আছে সকল ক্রেতা-বিক্রেতাকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। সরজমিনে গেলে দেখা যায়, এই রেণু পোনার মার্কেটে সামাজিক দূরত্ব মানা তো দূরের কথা কারোর মুখে মাক্স পর্যন্ত নেই, অথচ এই মাছের পোনা নিয়ে আসছে সুদূর চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে। এবং ক্রেতারা হলেন যশোর, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার ঘের ব্যাবসায়ীরা।
তাদের মুখে থাকছে না মাক্স, মানছেন না সমাজিক দূরত্বÑ এমনকি ব্যবহার করছেন না হ্যান্ড গ্লাভসসহ কোনো ধরনের স্যানিটাইজার। যে কারণে এই চুকনগর বাজারের রেণু পোনার মার্কেট থেকে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে মহামারি করোনাভাইরাস। যদিও খুলনা জেলার মধ্যে অনেক পরে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে অত্র উপজেলাতে এবং সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত মোট ৬৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ও মোট সুস্থ হয়েছেন ২৩ জন। ইতিমধ্যে চুকনগর এলাকাতেও করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে যে কারণে এলাকার মানুষ রয়েছে করোনা আতঙ্কে। এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একের পর এক মাইকিং করাসহ বিভিন্নভাবে এলাকার জনসাধারণকে সচেতন করে বিভিন্ন সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে জরিমানা ও শাস্তি করছে সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীদের কিন্তু কিছুতেই স্বাস্থ্যবিধিসহ সরকারী নির্দেশনা মানছে না এই রেণু পোনা ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। এ বিষয় নিয়ে চুকনগর বাজার রেণু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পদক মো. আব্দুল হান্নান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। এ বিষয় নিয়ে কথা বললে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. আবু সুফিয়ান রুস্তম মানবজমিনকে বলেন, হাটবাজারে যেহেতু সামাজিক দূরত্ব মানাটা কঠিন হচ্ছে সেক্ষেত্রে মাক্স ও হ্যান্ড গ্লাভস পরাটা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় মহামারি করোনাভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং এটা খুব খারাপ অবস্থার দিকে যাবে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. শাহনাজ বেগমের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন বিষয়টি এখন জানলাম, যারা দেশে চলমান করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না তাদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর