× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার

বিশ্বনাথে শিক্ষিকার মৃত্যু নিয়ে পাল্টাপাল্টি

বাংলারজমিন

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি | ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৮:২০

সিলেটের বিশ্বনাথে শিক্ষিকা আসমা শিকদারের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও আসামি পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে। তবে, এই ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনের জন্য সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী।
জানা গেছে, গত ৬ই জুলাই হারপিক পানের পর ৮ই জুলাই ‘আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ দৌলতপুর’র অফিস সহকারী আসমা শিকদার সিমলা (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাহাড়া-দুভাগ গ্রামের ফজলু মিয়ার স্ত্রী।
ওইদিন (৮ই জুলাই) বিকালে গভর্নিংবডির সভাপতির সঙ্গে কথা বলে তার বাড়ি থেকেই দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা ও গভর্নিংবডির সদস্য আনওয়ার মিয়াকে (৪২) আটক করে পুলিশ। পরদিন ৯ই জুলাই নিহতের স্বামী ফজলু মিয়া বাদী হয়ে গভর্নিংবডির সভাপতি যুক্তরাজ্য প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হাসিম উদ্দিন (৫৫) ও কমিটির সদস্য আনওয়ার মিয়াকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন, (মামলা নং ৬)। আর ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে (৯ই জুলাই) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।
আসমার স্বামী ফজলু মিয়া বলেন, মামলায় সভাপতিসহ অভিযুক্ত তিনজনই তার স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে টর্চার করেছেন। আয়-ব্যয় হিসাব দিতে বার বার চাপ সৃষ্টি করায় তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন।
অন্যদিকে, মামলার প্রধান আসামি গর্ভনিংবডির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফের স্ত্রী রাবেয়া রউফ বলেন, তার স্বামী স্কুল প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এবং কলেজ বাস্তবায়ন ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সর্বদাই  আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন।
সম্প্রতি তার স্বামীকে গভর্নিংবডির সদস্যরা সভাপতি নির্বাচিত করেছেন। কিন্তু একটি কুচক্রীমহল হয়রানি করতে অফিস সহকারী আসমা শিকদারের আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে তার স্বামীকে আসামি করা হয়েছে। দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমির আলী, গভর্নিংবডির সাবেক সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য আলী আকবর মিলন ও কলেজ ভবন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য আশরাফুল ইসলাম খান সোহেল বলেন, আসমার আত্মহত্যার প্ররোচনায় যারা দায়ী, তাদেরকে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনা হোক।
এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার ওসি শামীম মুসা বলেন, অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর