× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

সরকার আর শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৪:১৫

সরকার আর শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে পরিমাণ শিক্ষার্থী অনার্স মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করছে চাকরির বাজারে সে পরিমাণ অনার্স ও মাস্টার্স এর চাহিদা রয়েছে কিনা তা ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। যারা বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করছেন তাদের অনেকেই চাহিদা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না এবং কোন রকমের টেকনিক্যাল শিক্ষা না থাকায় তারা বেকার থেকে যাচ্ছেন। সরকার আর এই রকমের শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না।

তিনি বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২০ উদযাপন উপলক্ষে এক অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Jamal Siddiqui
১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১০:৩৭

ধন্যবাদ, অনেক পরে হলেও সরকার এই জরুরী বিষয়টা বুঝতে পারছে। লাখ লাখ ছাত্র এম এ পাশ করে বসে আছে কিন্তু প্রথম শ্রেনির চাকুরী ছাড়া আর কোন চাকুরী করবে না, কারন তিনি এম এ পাশ। কিন্তু এক পৃষ্ঠা বাংলা ইংরেজী শদ্ধভাবে লিখতে পারেন না। এরা পরিবারের বোঝা, সমাজের বোঝা। সকল কলেজে Honers-মasters বন্ধ করে দেয়া দরকার, শুধু bachelor course থাকবে আর technical course থাকবে। তা হলে আর কেউ বেকার থাকবে না

আবদুল মজিদ
১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৮:২১

সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি । ঘরে ঘরে টেকনিক্যাল শিক্ষা চালু করে দেশকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করুন ।টেকনিক্যাল শিক্ষা গ্রহন করলে চাকুরী পাবে অনায়াসে । সরকার কে বলছি একদম বাস্তব স্কিল মানব শক্তি সুষ্টি করুন বেকারত্ব দুর করুন ।

Mazed
১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৭:০৭

সরকার আর শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তাহলে চাকরি দেন ।

nasir
১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৬:৩০

মহিলা মাদ্রাসা সুর্যের আলো দেখতে পায় না আপনি জানলেন কেমনে? কুয়োর ভেতর থেকে বেরিয়ে আসুণ । হিংসা ও বিদ্বেষী বক্তব্য প্রচার করবেন না। ইসলামে বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতির সকল প্রকার শিক্ষার সকল স্তর ই বাতিল যা জীবন থেকে বিছ্ছিন্ন । ইসলামের খিলাফতের যুগে পৃথিবীর সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন কারী হল মুসলিম নারী ফাতেমা আল ফিহরী । কিন্তু বর্তমানে সেক্যুলার নামে কুফর জীবন ব্যবস্থায় মুসলিম নারীদের হয় করা হয়েছে ভোগ্যপন্য নয়তো ধর্ষনের বস্তু । নারীর পোশাককে যারা তাবু বলে আখ্যাদেয় এসব বিকৃত সেক্যুলাররাই নারীর জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে সমাজে।

Saheb Uddin
১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৬:০৯

মহিলা মাদ্রাসা গুলোত মেয়েরা সুর্যে্র আলোও দেখতে পায় না। যা জীবন্ত হত্যা করার পঃর্যায়ভূক্ত। চতুর্দিকে পর্দা লাগিয়ে লুকিয়ে রাখা হয় মহিলা মাদ্রাসা গুলোর ছাত্রীদেরকে । নবী মুহাম্মদ সঃ কখনো এরুপ শিক্ষা প্রদান করেন নি। বর্তমান পৃথিবীতে প্রচলিত বোরকা হিজাবের বর্ননা কুরআনে কোথাও উল্লেখ নেই। পায়খানা ও পেশাব কালে পর্দা করার জন্য কুরআনে পর্দার আয়াত নাযিল হয়েছে বলে বুখারীতেই ‍উল্লেখ আছে। বোরকা শব্দটি প্রাচীন আরবি শব্দ হওয়া স্বত্বেও নবী সঃ শব্দটি কখনো ব্যবহার করেন নি। কুরআনও শব্দটি ব্যবহার করে নি। কর্মহীন শিক্ষা উঠাতে হলে মহিলা মাদ্রাসা গুলো কিভাবে চলবে সে বিষয়টাও এখনই দৃষ্টিতে আনতে হবে। কুরআন্ এসেছে মানুষকে পবিত্র করার জন্য। পবিত্র না হয়ে মুসলিম জাতির নারীকে চলন্ত তাঁবুর ভিতরে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। যা মুসলিম জাতির জন্য কলংকই বলা যেতে পারে। বিশেষ করে কুরআন শিক্ষকগন নিজেদেরকে পবিত্র হয়েছেন বলে মনে করেন না বলেই তারা এই বোরকা ব্যবস্থা বা নারীকে লুকিয়ে রাখার প্রথাকে জীবিত রাখছে। এটাও কলংক। এটাকেই ইসলাম নাম দেয়া হয়েছে। তৎকালীন যুগে এত পোশাকই ছিলনা। বহুল পরিমানে পোশাকের ইতিহাসই তা বলে দিবে। প্রত্যেক নবীগন নারী পুরুষ উভয়কে পবিত্র করার জন্য এসেছেন। পবিত্র না হয়ে মুসলিম জাতি নিষ্ফল কিছু আচার অনুষ্ঠানকে ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে অর্থ ও সময় অপচয় করছে মাত্র। এটা প্রানহীন মুর্তি পুজা থেকেও অধম।

অন্যান্য খবর