× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার

বিজয়নগরে বেহাল সড়ক

এক্সক্লুসিভ

আমিরজাদা চৌধুরী, বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকে | ২৯ জুলাই ২০২০, বুধবার, ৮:১১

কাদামাটির এমন অবস্থা দেখে মনে হবে এটি একটি চাষ করা জমি। কিন্তু বাস্তবে এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা-আখাউড়া সড়ক। সড়কটির কয়েক কিলোমিটারের অবস্থা বর্ণনাতীত খারাপ। কোথাও কোথাও কুয়ার মতো গর্ত থাকায় ২১.৯ কিলোমটার দীর্ঘ এই সড়কটি পাড়ি দিতে এক ঘণ্টার স্থলে লাগছে তিন ঘণ্টা সময়। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল থেকে শুরু করে আটখলা, খিরাতলা, শ্রীপুর, নোয়াগাঁও, চম্পকনগর, মির্জাপুর, চান্দুরা পর্যন্ত পুরো রাস্তা খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। আটখলা এলাকায় নবনির্মিত সেতুর গোড়ায় কাদামাটি জমে থাকায় আটকে যাচ্ছে গাড়ি। ফলে চালক এবং যাত্রী মিলে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে গাড়ি পার করতে হচ্ছে। সড়কটির আমতলি বাজার অংশে চলমান নির্মাণ কাজের জন্য খুঁড়ে ফেলায় যাত্রীদের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।
সড়কটির আখাউড়া অংশের চার কিলোমিটার যান চলাচলের জন্য উপযোগী থাকলেও বিজয়নগর অংশের ১৭ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ১৩ কিলোমিটার পুরোপুরি অযোগ্য। এর বেশির ভাগ অংশে কোনো বিটুমিন খুঁজে পাওয়া যায়নি। সড়কটির কমপক্ষে ২০ স্থানে বৃষ্টির পানি জমে ছোট ছোট ডোবায় পরিণত হয়েছে। জানা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক ব্যবহার করে আখাউড়া স্থলবন্দরে যাতায়াত করে সিলেট থেকে আসা পাথরবাহী ট্রাক। সিলেট বিভাগের সবক’টি জেলার লোকজনকে আখাউড়া চেকপোস্টে যেতে এই সড়ক ব্যবহারের বিকল্প নেই। এ ছাড়া বিজয়নগরের ১০টি ইউনিয়নের প্রায় চার লাখ মানুষ জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় যাতায়াত করে এই সড়ক দিয়ে।  বিজয়নগর উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে পিচ ঢালাই করা সড়কটি পরে ২০১৫ এবং ২০১৭ সালে সংস্কার করা হয়েছিল। সম্প্রতি সড়কটি সংস্কারের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণ ও মেরামতের ক্ষেত্রে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সড়কটি বেশিদিন টিকে না। এ ছাড়া ভারী যানবাহন ও  পাওয়ার টিলার অবাধে চলার কারণেও সড়কটি দ্রুত নাজুক হয়ে পড়ে। বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল আক্তার অভিযোগ করে বলেন, একেবারে নাম্বার ছাড়া ইট দিয়ে ঠিকাদারের লোকেরা কাজ করছে। তবুও দেখার যেন কেউ নেই। বিষয়টি ইউএনওকে জানিয়েও কোনো ফল হয়নি। এই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশাচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, রাস্তার এই বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই গাড়ির ইঞ্জিন অচল হয়ে পড়ে। ঘন ঘন ইঞ্জিন সারাতে হয়। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে এলজিইডি’র বিজয়নগর উপজেলা প্রকৌশলী মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় সড়কটির কাজ এগুচ্ছে না। বৃষ্টি থাকায় সড়কটিতে থাকা বাজার অংশে এখন আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করা হচ্ছে। বর্ষাকাল শেষ হওয়ার পরে ইটের খোয়া দিয়ে খানাখন্দগুলো ভরাট করে দেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর