× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার

রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, ভূমিপুজো মোদির, টাইমস স্কোয়ার দেখালো না অনুষ্ঠান

ভারত

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা থেকে | ৫ আগস্ট ২০২০, বুধবার, ২:৪৬

বুধবার ঠিক বারোটা চুয়াল্লিশ মিনিট আট সেকেন্ডে অভিজিৎ মুহূর্তে  অযোধ্যায়  রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে তিনি ভূমিপুজন করেন। পারিজাতের চারা  রোপন করেন মন্দির প্রাঙ্গনে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী মোদি,  উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ,  উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল,  সরসঙ্ঘ চালক মোহন ভাগবত। এদিনের অনুষ্ঠানের প্রচার নিউইয়র্ক এর টাইম স্কোয়ার এ থ্রি ডি প্রযুক্তির মাধ্যমে হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা  স্থগিত হয় আমেরিকার মুসলিম ঐক্যমঞ্চের আপত্তিতে। ঐক্যমঞ্চের আপত্তির কারণ,  কোন বিশেষ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আবেগের প্রচার এভাবে করা উচিত নয়.  ভারতের কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট করে বলেন,  রামমন্দির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হোক। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় টুইট করে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠারই ডাক দেন।
সুপ্রিম কোর্ট এর আদেশের বলে বিতর্কিত স্থলে রামমন্দির প্রতিষ্ঠিত হল।
মুসলিম সম্প্রদায়ও এই রায় মেনে নিয়েছে। বুধবার মন্দিরের ভিত স্থাপনে যে ছত্রিশ জনজাতির উপস্থিতি ছিল তাতে সামিল হয়েছিলেন মুসলিমরাও। নরেন্দ্র মোদি তাঁর ভাষণে বলেন এ এক ঐতিহাসিক মুহুর্ত। দেশ ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ।  সেই আদর্শ অটুট থাকবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
kamrul
১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ২:৩৯

রিপোর্টের এই অংশের সংশোধনী দরকার; "মুসলিম সম্প্রদায়ও এই রায় মেনে নিয়েছে। বুধবার মন্দিরের ভিত স্থাপনে যে ছত্রিশ জনজাতির উপস্থিতি ছিল তাতে সামিল হয়েছিলেন মুসলিমরাও"। পৃথিবীর কোন মুসলমান এ রায় মেনে নেয় নাই। ভারতের মুসলমানরা তো নয়ই ! তাদেরকে এ রায় মানতে বাধ্য করা হয়েছে। নতুবা, ঘরে ঘরে আগুন লাগানো হবে, শিশুদেরকে তাদের পিতা-মাতার সামনে হত্যা করা হবে, যুবতীদেরকে তাদের অসহায় পরিবারের সামনে ধর্ষণ করা হবে (এবং তাদেরকে হত্যা করা হবেনা বাঁচিয়ে রাখা হবে, যাতে তারা জারজ সন্তানের জন্ম দিতে বাধ্য হয়), যুবক সন্তানকে তাদের পিতা-মাতার সামনে পিটিয়ে আধামরা করে গায়ে আগুন লাগিয়ে দিয়ে বলা হবে আত্মহত্যা করেছে। মন্দিরের ভিত স্থাপনে মুসলিমরা সামিল হয় নি, তাদেরকে একইভাবে বাধ্য করা হয়েছে। জনাব সাংবাদিক সাহেব, দয়া করে এই সংশোধনীটুকু ছাপাবেন কি?

অন্যান্য খবর