× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার

সর্বোচ্চ সংক্রমণের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, তবে সামনে আরো কঠিন সময়

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৬ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৩৭

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের আভাস মিলেছে। কিন্তু সংক্রমণ হ্রাসের অত্যন্ত ধীরগতি ও স্বল্প পরিবর্তন থেকে বোঝা যায় যে, মহামারিটি নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী দিনগুলোয় কঠিন সময় পার করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে।

গত রোববার থেকে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার নতুন সংক্রমণ। আরিজোনা, ফ্লোরিডা, টেক্সাস ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো যে অঙ্গরাজ্যগুলো গত জুন ও জুলাইয়ে সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখেছে, সেখানেও গত দুই সপ্তাহ ধরে কমছে সংক্রমণ। উল্লেখ্য, সংক্রমণ চূড়ায় থাকাকালে প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭০ হাজারের মতো সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।

সংক্রমণ কমা নিশ্চিতভাবেই ইতিবাচক দিক। নতুন করে আরোপিত সামাজিক দূরত্ব বজায় বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক লকডাউন কাজ করছে। তবে গত এক সপ্তাহজুড়ে ফ্লোরিডায় শনাক্ত হয়েছে ৬৩ হাজারের বেশি সংক্রমণ। টেক্সাসে একই সময়ে এ সংখ্যা ৫৭ হাজার। জর্জিয়া, মিসৌরি, ভার্জিনিয়ায়ও সংক্রমণ ঊর্ধ্বগামী।
ওয়াশিংটন রাজ্যের সংক্রামক রোগবিষয়ক প্রধান এপিডেমিওলজিস্ট স্কট লিন্ডকুইস্ট বলেন, আমরা এখনো প্রথম দফা সংক্রমণে আছি।
তিনি আরো বলেন, মহামারি শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখছি আমরা। আমি মনে করি না, আমরা এখনো নিম্নমুখী সংক্রমণে এসেছি। কিছু ইঙ্গিত মিলেছে যে, আমরা সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছি।

দ্য হিলের রাজ্যভিত্তিক উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২১ রাজ্যে গত সপ্তাহে শনাক্ত হওয়া মোট সংক্রমণ সংখ্যা, এর আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি ছিল। গত সপ্তাহে ২৪টি রাজ্যে ৫ হাজারের বেশি করে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। মাত্র ১২টি রাজ্যে সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও সেগুলোর মধ্যে আটটি রাজ্যে সংক্রমণ এখনো সপ্তাহভিত্তিতে ৫ হাজারের বেশি রয়েছে।

সংক্রমণের সংখ্যা কমলেও, বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহজুড়ে ঊর্ধ্বগামী থাকবে মৃত্যুর সংখ্যা। মৃত্যুর হার সবসময় ধীরে পরিবর্তিত হয়। এখন অবধি যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৫৩ হাজারের বেশি। গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার করে মৃত্যু হচ্ছে।

এদিকে, এখনো দৈনিক করোনা পরীক্ষার হার বাড়ানোর বা ভাইরাসটি মোকাবিলার নতুন কোনো কৌশল বের করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও মহামারি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষার হার বাড়ানো আবশ্যক। আদতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দৈনিক পরীক্ষার হার কমছে। ২৪শে জুলাই যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে করোনা পরীক্ষা করা হয় ৯ লাখ ২৯ হাজারের বেশি মানুষের। এখন অবধি এটাই একদিনে সর্বোচ্চ পরীক্ষার রেকর্ড। কোভিড ট্র্যাকিং প্রজেক্ট অনুসারে, গত মঙ্গলবার পরীক্ষার সংখ্যা নেমে এসেছেন ৬ লাখ ৯৫ হাজারে।
(দ্য হিলে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সংক্ষেপিত ভাবানুবাদ।)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর