× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার

সুবর্ণচরে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী ও সুবর্ণচর প্রতিনিধি | ৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৮:৩৮

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজব্বার ইউনিয়নে বয়স্ক ভাতার ঘুষ নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে আবদুল মান্নান (৫১) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ওই সময় সন্ত্রাসীরা পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেমের হাতের আঙ্গুল কেটে আলাদা করে ফেলে। হামলায় অরো ২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য মো. বাহার ও ইউছুফ, আল-আমিন সহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের কাঞ্চনবাজারে জিরো পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।নিহত কৃষক আবুদল মান্নান উপজেলার পশ্চিম চর জব্বার গ্রামের মজিবুল হক’র ছেলে। আহতরা হলেন,পশ্চিম চরজব্বার গ্রামের নুর আলম’র ছেলে পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেম (৩০), মো. রাসেল (২২) ও জয়নাল আবেদীনের ছেলে হেলাল উদ্দিন (৩৬)। নিহতের ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা সফিকুর রহমান জানান, মহামারী করোনা ভাইরাসের মাঝমাঝি সময়ে চরজব্বার ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাহার উদ্দিন বৃদ্ধ মফিজুর রহমানকে বয়স্ক ভাতা দেওয়ার নাম করে তার কাছ থেকে এক হাজার টাকা ঘুষ নেয়। এর কিছুদিন পর ওই বৃদ্ধা ইউপি সদস্য বাহার উদ্দিনকে ভাতা অথবা ঘুষের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে বাহার বৃদ্ধাকে মারধর করে।
ওই ঘটনায় আমার চাচাত ভাই যুবলীগ কর্মী মঞ্জু প্রতিবাদ করলে বাহারের ছেলে বেন্ডা ও স্থানীয় মজিবুল হক মাঝির ছেলে ইসমাঈলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তাকে পিটিয়ে আহত করে। ওই ঘটনায় গত ১০ই এপ্রিল মঞ্জু বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় মামলা দায়ের করেন। এর জের ধরে বুধবার রাতে স্থানীয় কাঞ্চন বাজারে ইউপি সদস্য বাহার উদ্দিন ও মজিবুল হক মাঝির ছেলে ফজলুল হক ফজলুর নেতৃত্বে ইসমাঈল হোসেন, আনিছ, আবুলকালাম, আবদুল আলী,মন্তাজ ডাকাতের ছেলে ফারুক ও  আজাদ হোসেন সহ ২০/২৫ জনের সঙ্গবদ্ধ পার্শ্ববর্তী জেলার লক্ষীপুরের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা বুধবার রাতে কাঞ্চন বাজারে ফাঁকা গুলি ও ককটেল ছুড়ে আতংক সৃষ্টি করে। তখন আবদুল মান্নান ও অন্যান্যদের অর্তকিত হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় গুরত্বর আহত আবদুল মান্নান, আবুল কাশেম, মো. রাসেল ও হেলাল উদ্দিনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবদুল মান্নানকে মৃত ঘোষণা করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর