× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার

জেলে ফুরফুরে মেজাজে ওসি প্রদীপ!

অনলাইন

রাসেল চৌধুরী, কক্সবাজার থেকে | ৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ১০:৪৪

জেলে ভাল আছেন ওসি প্রদীপ কুমার। শুক্রবার পুরোদিন বেশ হাসিখুশি ছিলেন। কুমারের মতোই ফুরফুরে মেজাজে দিন পার করেছেন তিনি। জেলকর্মীদের জানিয়েছেন, এইগুলো সব বোগাস! সব তামাশা। তিনি কোন অন্যায় করেননি। তার কিছুই হবে না। তিনি জেলকর্মীদের সঙ্গে হাসিখুশি কথা বলেছেন। তাদের কাছে শুধু একা থাকার সুবিধা চেয়েছেন।
বলেছেন, আমার রুমে আমি একা থাকতে চাই। আমার সঙ্গে আর কাউকে দেবেন না।

জেল সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন এক প্রশ্নের জবাবে জানান, জেলে একা থাকার সুযোগ আছে। তাছাড়া তারা রিমান্ডের আসামী। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সবাইকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের রিমান্ডের জন্য বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

প্রদীপের হাতে নির্যাতিত ও জেলে অন্তরীণ সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান ও ওসি প্রদীপের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়- এমন একটি সংবাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি ওই সংবাদ সঠিক নয় বলে জানান। বলেন, দু’জন দুই জায়গায় থাকেন। একজনের সঙ্গে আরেকজনের দেখা সাক্ষাতের কোন সুযোগ নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলকর্মী জানান, ওসি প্রদীপ কুমার দাশের হাসিমাখা চেহারা দেখে বোঝার উপায় নেই তিনি চাঞ্চল্যকর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলায় জেলে আছেন। শুনানির দিন আদালত ভবনেও হাসিখুশি ছিলেন ওসি প্রদীপ। একজন আইনজীবী জানিয়েছেন, আদালত ভবনে ওসি প্রদীপ যতক্ষণ ছিলেন, হাসি-ঠাট্টা করে সময় পার করেছেন।

গত ৩১শে জুলাই খুন হওয়া মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের বড়বোন ও মো. শামসুজ্জামানের সহধর্মিণী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস (৪২) বাদী হয়ে প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলীসহ ৯ জনকে আসামী করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৫ই আগস্ট সকালে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গত ৬ই আগস্ট টেকনাফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আদালত নম্বর-৩) এর বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহা. হেলাল উদ্দিনের আদালতে ৭ আসামী সারেন্ডার করে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর করে সকলকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে একই আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামী প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী ও নন্দলাল রক্ষিতকে ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর ও বাকী ৫ আসামীকে ২ দিন জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ দেন।

শুক্রবার এক আদেশে সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীকে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এবং জেলে যাওয়া অবশিষ্ট ৫ জনকে পুলিশ সুপার বরখাস্ত করেছেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম (বার) জানান, টেকনাফ থানার মামলা নম্বর : ৯/২০২০, যার সিআর মামলা নম্বর : ৯৪/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ) মামলায় ৭ আসামীর জামিন আবেদন নাকচ হয়ে জেলে যাওয়ার পর প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলী ইন্সপেক্টর হওয়ায় তাদেরকে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এবং বাকী ৫ জন যথাক্রমে এসআই নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াকে তাৎক্ষণিক চাকুরী থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
সাদাত হুসেন
৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ১১:৩০

মজলুমেরা আসমানী ফয়সালার দিকে তাকিয়ে আছে,ক্রসফায়ারে মৃত্যু বরন কারীদের অসহায় পরিবার বর্গের আর কিবা করার আছে,কারন বিচারের পূর্বেই নিহতদের বিরুদ্ধে দুসকৃতকারী হিসাবে তকমা লাগিয়ে মরহুম করে দেওয়া হয়েছে। কখনও কি কেউ ভেবে দেখেছেন?নিহতদের পরিবারের সামাজিক অবস্তান কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছে। আফসোস, অগুনিত মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলাদেশর শাসনতন্ত্রে গনতন্ত্, মানবিক মূল্যবোধ,সামাজিক ন্যায় বিচার,মানুষের মৌলিক অধিকার, বাক স্বাধীনত,অর্থনৈতিক মুক্তি শুধু কাগজের বইয়ে লিখা-ই আছে। সত্য,হক,ইনসাফ আর আজকের বাস্তবতার ফারাক যোজন যোজন।

Ritu
৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৭:৫৬

He will release soon Because his god father are working for him. Criminal like pradeep is tools of state brutality.

nurul choudhury
৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৬:৪৯

Prodip is happy because he knows nothing will happen to him. His powerful patrons are ready to protect him.

আবু আব্দুল্লাহ
৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৫:৩৩

মতামত দিয়ে লাভ নেই এদের কিছু হবে না। আর সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট আছেন মাপ করার জন‍্য।

ক্ষুদিরাম
৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৫:৩০

এমন একটা খবর অথচ প্রদীপের বিরুদ্ধে একটি কমেন্টও নেই। তার মানে কেও তার ব্যাপারে ন্যাগেটিভ(অথচ সত্য) কমেন্ট করার দুঃসাহস দেখাতে চাচ্ছে না। অথবা কমেন্ট করেছে অনেকেই কিন্তু মানবজমিন ঝুকি নেয়ার সাহস পাচ্ছে না !! যেটাই হোক প্রদীপদের ক্ষমতা যে কতদুর পর্যন্ত বিস্তৃত সেটা প্রমানিত............

অন্যান্য খবর