× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

ডিএনসিসিতে মশকনিধন অভিযান শুরু

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৪:৩২

নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে বছরব্যাপী মশকনিধন কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আজ শনিবার সকাল থেকে তৃতীয় ধাপের চিরুনি অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। ১০ দিনব্যপী এ চিরুনি অভিযানের প্রথম দিনে ৫৪টি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে ১২ হাজার ৭৩৬ টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ৮৭ টি স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী  ৭ হাজার ৩০১ টি বাড়ি/স্থাপনা শনাক্ত করা হয়। এসময়  ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৬০০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তথ্য অফিসার মো: আতিকুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান,  উত্তরা অঞ্চল-১ এর অধীনে ৭৯৮ টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১২ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।এতে ৬টি মামলায় ১৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ৬৮৭ টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। মিরপুর অঞ্চল-২ এর অধীনে  ২হাজার ৪১৭টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়।  ২৩৫ টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাস্ক ব্যবহার না করার জন্য ৫টি মামলায় মোট ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মহাখালী, অঞ্চল-৩ এর অধীনে ১ হাজার ৬১৪ টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩৮ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৯৭৫ টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এসময়ে ৪টি মামলায় ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। মিরপুর ১০, অঞ্চল-৪ এর অধীনে ১হাজার ৫২৬টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে ৮টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ২টি মামলায়  ১ হাজার ৫০০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া ৬২৫টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।  কারওয়ান বাজার, অঞ্চল-৫ এর অধীনে ২ হাজার ১৬১টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে ৭টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ১ হাজার ৬৪৪টি বাড়ি/ স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

তিনি আরো জানান, সকল সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজনন স্থলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনাপূর্বক কীটনাশক ছিটানো হয়েছে এবং জনসাধারণকে এবিষয়ে পরবর্তীতে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। তৃতীয় ধাপে চিরুনি অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে এবারও প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি সেক্টরে ভাগ করে প্রতিটি সেক্টরকে ১০টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডের ১টি সেক্টরে অর্থ্যাৎ ১০টি সাবসেক্টরে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি আধুনিক মশক নিধন ব্যবস্থাপনার অংশ হিসাবে বিগতবারের ন্যায় এবারও এডিসের লার্ভা প্রাপ্তির স্থানসমূহ এবং প্রজনন উপযোগী পরিবেশসমূহের তথ্য অ্যাপে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর