× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

মির্জাগঞ্জে সড়কের বেহাল দশা

বাংলারজমিন

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি | ১২ আগস্ট ২০২০, বুধবার, ২:৫৭

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী বাজারের প্রবেশদ্বারের বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। সড়কটি অনেক বছর যাবৎ সংস্কার না হওয়ায় বৃষ্টির পানি আটকে পরায় চলাচল করতে বেগ পেতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বাজারে বসবাসরত বাসিন্দাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগতদের।
জানাগেছে, গতবছর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী তার চেষ্টায় মহাসড়কের তিনরাস্তা নামক স্থান থেকে পদ্মা ব্যাংক পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণ করা হয়। তবে তখন বৃষ্টির কারনে পুরো সড়কটি কাজ করা সম্ভব হয়নি। বাকী আধাকিলোমিটার সড়কের কাজ না হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সুবিদখালী পদ্মা ব্যাংকের সামনে থেকে সুবিদখালী বাজার মসজিদ পর্যন্ত আধা কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সিসি ঢালাই উঠে খানা খন্দসহ ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
বর্তমানে যানবাহন তো দুরের কথা লোকজনের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এ সড়কটি। সড়কের কোন কোন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হওয়াতে হাটু সমান পানিও জমে থাকে। ফলে পথচারী কিংবা যে কোন যানবাহন চালকদের দেখে উপায় নেই এখানে বড় বড় গর্ত পানিতে ডুবে আছে। বৃষ্টি হলেই এ সড়কে রিক্সার চালকরা সহজে যেতে চায় না। এসব সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই রিক্সা, অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল, টেম্পু, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। প্রায়ই গাড়ি উল্টে গিয়ে ঘটছে নানা ধরনের দুর্ঘটনা।
এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, সুবিদখালী বাজার সড়কের কাজ গত বছর করা হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সড়কে পানি জমে থাকে। তাই সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণের পরই সড়কের বাকী অংশের কাজ শুরু করা হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী শেখ আজিম উর রশীদ বলেন, সড়কটি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান স্যারের সাথে আলাপ হয়েছে। মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী বাজার সড়কের যেটুকু কাজ বাকী আছে এ বছর এডিপির মাধ্যমে তা শেষ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর