× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিরুদ্ধে ২ যুবককে মারধোরের অভিযোগ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে | ১২ আগস্ট ২০২০, বুধবার, ৮:৫৩

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাস্ক না পড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিরুদ্ধে ২ যুবককে মারধোরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে শহরের পৌর আধুনিক সুপার মার্কেটের সামনে এঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপর প্রেসক্লাবে এসে অভিযোগ করেন ওই দুই যুবক। এসময় তাদের একজন ব্যাথায় কাঁদছিলেন। তবে মারধোরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কিশোর কুমার।
জানাগেছে, চিনাইর গ্রাম থেকে শহরে আসেন রাব্বী। তার মাস্ক পড়া ছিলোনা। এজন্যে পৌর আধুনিক সুপার মার্কেটের সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে দাড় করিয়ে ৫’শ টাকা জরিমানা আরোপ করেন।
সঙ্গে জরিমানার টাকা না থাকায় বিকাশে টাকা এনে দেবে বলে ভ্রাম্যমান আদালতকে জানায় রাব্বী। কিন্তু টাকা দিতে দেরী করায় ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে পুলিশ তাকে ভেতরে নিয়ে পেটাতে শুরু করে। এরপর সে মায়ের ঔষধ কেনার জন্যে আনা টাকা পকেট থেকে বের করে দেয়। ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ তখন তাকে বলে, এখন একলাখ টাকা জরিমানা দিলেও কাজ হবেনা। ৭ দিনের জেল দেয়া হবে তোকে। তার দাবী পুলিশের লাঠির আঘাতে তার বা হাত ভেঙ্গে গেছে। ঘটনার বর্ণনা দেয়ার সময় ব্যাথায় কাঁদতে থাকেন রাব্বী। একই সময়ে শহরের ভাদুঘর এলাকা থেকে আসা রতন ও তার ভাই জাকির মুখোমুখি হন ওই ভ্রাম্যমান আদালতের। হেনস্থার শিকার হন তারাও। রতনের মাস্ক ছিলোনা। এজন্যে তাদের দাড় করানো হয়। জাকির জানান, তিনি জরিমানার টাকার রশিদ চাওয়ায় তার ওপর ক্ষিপ্ত হন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ। সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ এনে মারধোর শুরু করে তাকে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কিশোর কুমার। তিনি বলেন, নরমালি সবাইকে জরিমানা করা হয়েছে। সবাই জরিমানা দিয়েছেন। শুধু একটাই ব্যতিক্রম ছিলো। একটা লোক টাকা থাকা সত্বেও জরিমানা দিতে চাচ্ছিলেননা। একাধিকবার তাকে টাকা দিতে বলা হয়। এরপর জেলের ভয় দেখিয়ে তাকে কিছুক্ষন গাড়িতে রাখা হয়। পরে বিকাশে জরিমানার টাকা এনে দিয়ে চলে যায় সে। কাউকে মারধোরের প্রশ্নই উঠেনা। পৌর মার্কেটের সামনের মতো একটি জায়গায় তা সম্ভবও নয়।
ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. রুহুল আমিন বলেন, আমার জানামতে এমন ধরনের ঘটনা ঘটেনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর